ছবিঃ সংগৃহীত
নিউজ ডেস্ক : সিপাহী-জনতার ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছিল। সেদিন আমরা পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে গণতন্ত্রের নতুন যাত্রা শুরু করেছি। তাই ৭ নভেম্বরের বিপ্লব আমাদের তথা প্রজন্মের অনুপ্রেরণা।
শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে সীতাকুণ্ডের এল কে সিদ্দিকী স্কয়ারে অনুষ্ঠিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, সাবেক যুগ্ম মহাসচিব এবং চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী (এফসিএ) এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে স্বাধীনতার চেতনা ও জাতীয় সংহতির প্রতীক হিসেবে এ দিবসের গুরুত্ব অনস্বীকার্য। বর্তমান প্রেক্ষাপটে দিনটির তাৎপর্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও উন্নয়নকে অব্যাহত রাখতে শহীদ জিয়ার দর্শন সবসময় সময়োপযোগী।
তিনি আরও বলেন, ১৭ বছরের দুঃশাসনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের মানুষ গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেয়েছে। গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত রাখতে তারেক রহমানের হাতকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সীতাকুণ্ড তথা চট্টগ্রামের বিশেষ ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে। আপনাদের সবাইকে নিয়ে অচিরেই সীতাকুণ্ডের উন্নয়নে অর্থনৈতিক কর্মসূচি হাতে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
সীতাকুণ্ড পৌর বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোহাম্মদ মোরছালিনের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডা. কমল কদর, যুগ্ম আহ্বায়ক জহুরুল আলম জহুর, পৌর বিএনপির সদস্য সচিব সালেহ আহমদ সলু, বিএনপি নেতা ইউসুফ নিজামী, দিদারুল ইসলাম মাহমুদ চৌধুরী, ফজলুল করিম চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা মহরম আলী, অ্যাডভোকেট রৌশন আরা, নুরুদ্দিন মো. জাহাঙ্গীর চেয়ারম্যান, ছাত্রদলের মো. ইসমাইল, কামরুল ইসলাম বাবলু প্রমুখ।
নিউজ ডেস্ক : গণহত্যাকারী ও সাধারণ মানুষের অধিকার হরণকারীদের বিচার ...
নিউজ ডেস্ক : ৭১-এর রাজাকার এবং ২৪-এর রাজাকার মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে বল...
নিউজ ডেস্ক : জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদ...
নিউজ ডেস্ক : জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজশাহী...
নিউজ ডেস্ক : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জামায়াতে ইসলা...

মন্তব্য (০)