ছবিঃ সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভয়াবহ দাবানলের কবলে শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছে ইন্দোনেশিয়ার কয়েক লাখ বাসিন্দা। এ ঘটনার বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে একটি যৌথ টাস্ক ফোর্স গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সিঙ্গাপুর। এদিকে, বিষাক্ত ধোয়ায় আক্রান্ত প্রতিবেশি আরেক দেশ মালয়েশিয়ায় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হলগুলোকে বেছে নিয়েছেন দৌড়বিদরা।
গেলো এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানলের কবলে ইন্দোনেশিয়া। দাবানল থেকে ঘরবাড়ি ও স্থাপনা বাঁচাতে মরিয়া হয়ে লড়াই করছে বাসিন্দারা। এল নিনোর প্রভাবে আবহাওয়া শুষ্ক হয়ে যাওয়ায় দাবানল নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বিস্তীর্ণ অঞ্চল। কয়েকমাস ধরে চলা এই দাবানলে পরিবেশে ছড়িয়ে পড়েছে বিষাক্ত ধোঁয়া। দিনের বেলায়ও নেমে আসে অন্ধকার। ঘন ধোয়ায় আশপাশের কিছুই দেখা যায় না। শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা ভুগছে কয়েক লাখ মানুষ।
এমন অবস্থায় বাসিন্দাদের সুরক্ষায় ইন্দোনেশিয়ার বোর্নিও দ্বীপের একটি শহরে চালু করা হয়েছে বিশেষ একধরনের বাস। বিষাক্ত ধোঁয়া থেকে মানুষকে স্বস্তি দিতে এসব বাসে চিকিৎসাকর্মীর সঙ্গে থাকছে অক্সিজেন নেয়ার সুবিধা। নীল ও সাদা রঙের মিশেলে বাসগুলো ঘুরে ঘুরে এই পরিষেবা দিয়ে যাচ্ছে।
এসব বিশেষ বাসে রয়েছে অক্সিজেন সিলিন্ডার। বাসে উঠে নলের মাধ্যমে ৫ থেকে ১০ মিনিট অক্সিজেন নিতে পারছেন বাসিন্দারা।
দাবানল নিয়ন্ত্রণে সরকারের দুর্বল ব্যবস্থাপনাকে দায়ী করে কয়েক দফায় আন্দোলনে নামে ইন্দোনেশিয়ার শিক্ষার্থীরা। তাদের সঙ্গে যোগ দেয় নাগরিক সমাজসহ বেশ কয়েকটি সংগঠন। এ সময় তারা দাবানলকে জাতীয় দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানায়।
ইন্দোনেশিয়ার দাবানলের কবলে পড়েছে প্রতিবেশি দেশ মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর। দূষিত বাতাসে নাজেহাল সিঙ্গাপুরের বাসিন্দারা। বিষাক্ত এই ধোঁয়া মোকাবিলায় একটি যৌথ টাস্ক ফোর্স গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে দুই দেশ। যার কাজ হবে দাবানলের সঙ্গে জড়িত সংস্থাগুলোর কাছ থেকে জরিমানা আদায়সহ তথ্য বিনিময়।
এদিকে, ইন্দোনেশিয়ার দাবানলের বিষাক্ত ধোঁয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিবেশি আরেক দেশ মালয়েশিয়া। দেশটির পেতালিং জায়ার শহরের একটি শপিং মলকে ট্র্যাক বানিয়েছেন দৌড়বিদরা। শীতাতপ নিয়ন্ত্রীত হলগুলোতে চলছে ইনডোর দৌড়ের আয়োজন। বাইরের পরিবেশ বিষাক্ত হওয়ায় এবার শপিং মলেই ব্যায়াম করছে বাসিন্দারা।
কয়েকমাস ধরে চলা ইন্দোনেশিয়ার এ দাবানলে আশপাশের কয়েকটি দেশে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে শ্বাসকষ্টজনিত রোগীর সংখ্যা। পরিবেশ দূষিত হওয়ায় সশরীরে ক্লাস বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে বেশকিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
নিউজ ডেস্কঃ ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে কোনো হুমকি দ...
নিউজ ডেস্কঃ সৌদি আরব-তুরস্ক-পাকিস্তানের সমন্বয়ে গঠিত আঞ...
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : কৌশলগত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের জন্য ক্লাস্টার ওয়ারহেডে...
নিউজ ডেস্কঃ ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে পড়া জেন-জি বিক্ষোভের...
নিউজ ডেস্কঃ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প...

মন্তব্য (০)