ছবিঃ সংগৃহীত
নিউজ ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আবারও আলোচনায় বসতে চায় ইরান। দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের বেতন দেওয়ার মতো অর্থও তেহরানের হাতে নেই বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
দুই দেশের মধ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যেই শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) হোয়াইট হাউজে সংবাদ সম্মেলনে এসব মন্তব্য করেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, ‘তারা আলোচনা করতে চায়। তারা বারবার আলোচনার কথা বলছে।’
ইরানের আর্থিক সংকটের কথা তুলে ধরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, দেশটি তাদের সেনা ও পুলিশ সদস্যদের বেতন দিতে পারছে না। তার ভাষায়, ‘তারা বেশ বড় ধরনের সমস্যার মধ্যে রয়েছে।’
চলমান সংঘাতকে ‘প্রচলিত কোনো যুদ্ধ নয়’ বলে মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালাতে যুক্তরাষ্ট্র তুলনামূলকভাবে খুব কম অর্থ ব্যয় করছে।
এ অভিযানের ব্যয় নিয়েও নিজের অবস্থান তুলে ধরেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তার দাবি, ইরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতেই এ অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে। এ ছাড়া ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া পদক্ষেপ থেকে পাওয়া সুবিধা ইরানবিরোধী অভিযানের ব্যয়কে ছাড়িয়ে গেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
ট্রাম্পের এমন বক্তব্যের মধ্যেই ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সরাসরি আলোচনা শুরুর উদ্যোগ নিয়েছে কাতার। কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে, শুক্রবার তেহরানে কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আলোচনা করেছেন। দুই দেশের মধ্যে সরাসরি আলোচনা পুনরায় শুরুর বিষয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোই তাদের লক্ষ্য।
আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) দোহায় এ আলোচনা অব্যাহত থাকার কথা রয়েছে।
এক কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, আলোচনার পুরো সময় হোয়াইট হাউসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছে কাতার। সমঝোতার অগ্রগতিকে ইতিবাচক হিসেবে বর্ণনা করলেও আলোচনা এখনো চলছে বলে জানিয়েছে সূত্রটি।
মধ্যস্থতাকারীরা এমন কিছু পারস্পরিক পদক্ষেপে দুই পক্ষকে রাজি করানোর চেষ্টা করছেন, যার মাধ্যমে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিসহ অন্যান্য বিষয়ে সরাসরি আলোচনার পথ খুলতে পারে।
তবে আলোচনা শুরুর শর্ত নিয়ে দুই দেশের মধ্যে এখনো মতপার্থক্য রয়েছে।
এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আলোচনায় ফেরার আগে ইরানকে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ছাড় দিতে হবে বলে মনে করছে ট্রাম্প প্রশাসন।
অন্যদিকে, তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, জব্দ করা ইরানি অর্থ ছাড় এবং তেল বিক্রির সুযোগ পুনরায় চালুর দাবি জানিয়েছে।
এ ছাড়া আগের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পরিদর্শনে জাতিসংঘের পরিদর্শকদের অনুমতি দিতেও তেহরানকে রাজি করানোর চেষ্টা করছে কাতার। এর বিনিময়ে ইরানের ওপর কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিলের প্রস্তাব থাকতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তথ্যসূত্র: সামা টিভি
নিউজ ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে নির্বাচনি প্...
নিউজ ডেস্ক : মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা...
নিউজ ডেস্ক : ইসরাইলের পার্লামেন্ট নেসেটের বর্তমান স্পিকার আম...
নিউজ ডেস্ক : ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ খুব শীঘ্রই সমাপ্তির দি...
নিউজ ডেস্ক : ইসরাইলের সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে বিরোধী জোটই বিজয...

মন্তব্য (০)