ফাইল ছবি
নিউজ ডেস্ক : ভেরিফিকেশনে বাদ পড়া প্রার্থীদের নথি আবার যাচাই এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগের দাবি জানিয়েছেন চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকেরা। এ ছাড়া আটকে থাকা নিয়োগপত্র ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব দাবি জানানো হয়।
ভেরিফিকেশনে বাদ পড়েছেন অনেক প্রার্থী
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রশাসনিক যাচাই-বাছাই বা ভেরিফিকেশনের নামে কোনো সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই অনেক যোগ্য প্রার্থীকে চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, প্রায় ১ হাজার ২০০ জনের নিয়োগপত্র ইস্যু করা হয়নি।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ‘দীর্ঘ আট মাস অপেক্ষার পর নিয়োগপত্র না পাওয়ায় অনেক প্রার্থী আর্থিক ও মানসিক সংকটে পড়েছেন। তাদের কেউ আগের চাকরি ছেড়েছেন, কেউ অন্য চাকরিতে যোগ দেননি। আবার অনেকের বয়স সরকারি চাকরিতে আবেদনের সীমার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে বা সেই সুযোগ শেষ হয়েছে।’
পাঁচ দফা দাবি প্রার্থীদের
প্রার্থীরা পাঁচটি দাবি জানিয়েছেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে ভেরিফিকেশনে বাদ পড়া প্রত্যেক প্রার্থীর নথি নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় আবার যাচাই, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ ও প্রশাসনিক আপিলের ব্যবস্থা, প্রশাসনিক ভুল সংশোধন এবং চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত অথচ নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের বিষয়ে ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ।
এ ছাড়া নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কেন এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে এবং কীভাবে এতসংখ্যক সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী বাদ পড়েছেন, তার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা জনসমক্ষে প্রকাশের দাবি জানানো হয়েছে।
অযোগ্য প্রার্থীদের পক্ষে নয়, দাবি যোগ্যদের নিয়োগের
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, অনিয়মকারী বা অযোগ্য কোনো প্রার্থীর পক্ষে তারা অবস্থান নিচ্ছেন না। তবে প্রশাসনিক ভুল বা ভুল তথ্যের কারণে কোনো নিরপরাধ ও যোগ্য প্রার্থী যেন বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করতে হবে।
চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এই পরীক্ষায় মোট ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থী সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হন।
স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও ডোপ টেস্টের কাজ দ্রুত শেষ হলেও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাইপ্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত সময় লাগে। একাধিকবার পুলিশ ভেরিফিকেশন পরিচালনা এবং দেশে হঠাৎ রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটে যাওয়ার কারণে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের বিলম্ব ঘটে।
বর্তমানে দেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তীব্র শিক্ষক–সংকট চলছে। অনেক স্কুলে প্রয়োজনীয় শিক্ষকের অভাবে স্বাভাবিক পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। নবনির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন শিক্ষক নিজ নিজ জেলা ও বিদ্যালয়ে যোগ দিলে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার গতি যেমন ফিরবে, তেমনি মাঠপর্যায়ের বিদ্যমান শিক্ষক–সংকটও কিছুটা হলেও নিরসন হবে বলে মনে করছেন শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে...
নিউজ ডেস্ক : ফ্রিল্যান্সিং খাতে বেটোপিয়া গ্রুপকে ঘিরে ওঠা গু...
নিউজ ডেস্ক : সিন্ডিকেটের কারসাজিতে ফের বাড়তির দিক...
নিউজ ডেস্ক : দেশের সব বিদ্যুৎকেন্দ্রের সার্বিক নিরাপত্তা ব্য...
নিউজ ডেস্ক : কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের দোসরদের আইনের আও...

মন্তব্য (০)