• লিড নিউজ
  • প্রশাসন

৬৪ জেলার সদর থানাকে ‘জিরো কমপ্লেইন্ট’ কেন্দ্রে রূপান্তরের উদ্যোগ ‎

  • Lead News
  • প্রশাসন

প্রতীকী ছবি

নিউজ ডেস্কঃ জনসেবার মান বাড়াতে বড় ধরনের প্রশাসনিক উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। দেশের ৬৪ জেলার সব সদর থানাকে ‘জিরো কমপ্লেইন’ সেবাকেন্দ্রে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

‎অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক খোন্দকার রফিকুল ইসলাম আজ বাসস’কে বলেন, ‘এই উদ্যোগ পুলিশ বাহিনীকে আধুনিকায়ন এবং জেলার গুরুত্বপূর্ণ থানাগুলোকে জবাবদিহি ও জনগণের আস্থার মডেল হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।’

‎তিনি বলেন, পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ শূন্যে নামিয়ে আনাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য।

‎সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি প্রতিফলন ঘটেছে।

‎বাসসের সঙ্গে আলাপকালে শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক গাজী জসিম উদ্দিন বলেন, ‘সর্বোচ্চ দক্ষতার সঙ্গে নাগরিকদের উন্নতমানের সেবা দেওয়া এবং কোনো ধরনের অভিযোগের সুযোগ না রাখাই এই পরিকল্পনার লক্ষ্য।’

‎প্রশাসনিক কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, এ লক্ষ্য অর্জনে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

‎উদ্যোগের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো জনগণের সঙ্গে এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে পুলিশ সদস্যদের যথাযথ আচরণ নিশ্চিত করা।

‎সেবার মান বজায় রাখতে জেলা পর্যায়ের সেরা কর্মকর্তাদের এসব সদর থানায় দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।

‎উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সরাসরি তত্ত্বাবধান ও নিয়মিত নজরদারির মাধ্যমে সেবার মান নিশ্চিত করা হচ্ছে।

‎প্রক্রিয়া সহজ করতে এবং থানায় সরাসরি অভিযোগের প্রয়োজন কমাতে অনলাইন জিডি (ই-জিডি) সেবা ব্যবহারে জনগণকে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

‎এসব থানা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখতে বিশেষ দল কাজ করছে। ‘জিরো কমপ্লেইন্ট’ অবস্থান বজায় আছে কি না, তা নিশ্চিত করতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নিয়মিত পর্যালোচনা ও পরিদর্শন করছেন।

‎উদ্যোগের অংশ হিসেবে সদর থানায় সেবা নিতে আসা সবাইকে সর্বোচ্চ সৌজন্য, আন্তরিকতা ও সম্মানের সঙ্গে সেবা দেওয়া হচ্ছে।

‎একই সঙ্গে বিদ্যমান আইন, বিধি ও নিয়ম অনুযায়ী সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সেবা দেওয়া হচ্ছে।

‎ডিউটি অফিসারের কক্ষ ও সেবাপ্রত্যাশীদের ওয়েটিংরুমসহ থানার সব কার্যক্রম সিসিটিভির নজরদারির আওতায় রাখা হয়েছে।

‎জরুরি পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক সাড়া দিতে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হচ্ছে কুইক রেসপন্স টিম। নারীদের অভিযোগ শুনতে ও তা সমাধানে নারী কর্মকর্তাদেরও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

‎জনগণকে অনলাইন সাধারণ ডায়েরি (ই-জিডি) সেবা ব্যবহারে জনগণকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন পুলিশি সেবা পাওয়ার নির্দেশনা থানার ভেতরে টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে, যাতে সেবা পাওয়া সহজ হয়।

‎কার্যকরভাবে সেবা নিশ্চিতে থানাগুলোতে কর্মরত কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যদের নিয়মিত দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

‎থানার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ এবং যথাযথ সেবা নিশ্চিত করতে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা নিয়মিত সরাসরি তদারকি ও পরিদর্শন করছেন।

‎থানার কার্যক্রম তদারকি ও যথাযথ সেবা নিশ্চিত করতে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারাও নিয়মিত সরাসরি তদারকি ও পরিদর্শন করছেন।

মন্তব্য (০)





  • company_logo