• জাতীয়

সামাজিক অবদানের জন্য মানুষকে স্মরণ করতে হবে: ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

  • জাতীয়

ছবিঃ সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক : ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, সমাজে যারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন, তাদের ধর্ম, দল বা পরিচয় দিয়ে নয়- তাদের কর্মের মাধ্যমে স্মরণ ও মূল্যায়ন করতে হবে। মানুষের সামাজিক অবদানকে স্বীকৃতি দিলে নতুন প্রজন্মও সমাজের জন্য কাজ করতে উৎসাহিত হবে।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ওসমান জামাল মিলনায়তনে ছায়ানীড় আয়োজিত ‘শতবর্ষের সফল ব্যক্তি স্মারক সম্মাননা প্রকাশনা ও সংবর্ধনা ২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।    

মন্ত্রী বলেন, সামাজিক অবদানের জন্য মানুষকে স্মরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নতুন প্রজন্মকে জানাতে হবে, অতীতে কারা সমাজ ও দেশের জন্য কী অবদান রেখে গেছেন। তাদের সম্পর্কে জানলে তরুণরাও ভবিষ্যতে সামাজিক কাজে উৎসাহিত হবে। কারণ, মানুষ তখনই সামাজিক কাজে আগ্রহী হয়, যখন দেখে ভালো কাজ করলে সমাজ তাকে মনে রাখে।   

তিনি বলেন, টাঙ্গাইলের ইতিহাস ও ঐতিহ্যে অনেক গুণী মানুষের অবদান রয়েছে। নবী হাসান চৌধুরী, আবদুল হামিদ খান, প্রসাদ সাহা, ইব্রাহিম সাহা, আবু সাদ চৌধুরীসহ অনেকেই সমাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে গেছেন। কিন্তু নতুন প্রজন্মের অনেকেই তাদের অবদান সম্পর্কে জানে না। তাদের এসব ইতিহাস জানাতে হবে এবং বই পড়ার প্রতি আগ্রহ তৈরি করতে হবে। 

‘শতবর্ষের সফল ব্যক্তি’ নিয়ে প্রকাশিত বইয়ের প্রশংসা করে ফকির মাহবুব আনাম বলেন, এ ধরনের বই আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। প্রয়োজন হলে তিনি বইটি বিভিন্ন লাইব্রেরিতে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগে সহযোগিতা করবেন বলেও জানান।

সমাজে বিভিন্ন মানুষের অবদানের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, ওয়ালটনের মতো প্রতিষ্ঠান দেশের বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করেছে। একইভাবে বিভিন্ন ব্যক্তি শিক্ষা, চিকিৎসা, শিল্প-সাহিত্য ও সমাজসেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তাদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রয়োজন।

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের মনে রাখতে হবে, প্রত্যেকের অবদান।’ সমাজে যারা হাসপাতাল, স্কুল, কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন, তাদের অবদান প্রজন্মের পর প্রজন্ম স্মরণ করা উচিত। ধর্ম বা রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়, যার যার কর্মের ভিত্তিতে মানুষকে মূল্যায়ন করতে হবে।

তিনি বলেন, বিশেষ করে ১৯৪৭ সালের আগের সময়ের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, তৎকালীন জমিদার ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের উদ্যোগে বহু শিক্ষা ও জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছিল। 

তাদের অবদানকে ধর্মীয় বা দলীয় পরিচয়ের সংকীর্ণতায় না দেখে সামাজিক অবদানের জায়গা থেকে মূল্যায়ন করতে হবে।

অনুষ্ঠানে কৃতী ব্যক্তিদের অবদান তুলে ধরে তাদের স্মরণ ও সম্মান জানানোর উদ্যোগের প্রশংসা করেন মন্ত্রী। 

তিনি বলেন, সমাজের জন্য যারা কাজ করেছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং সামাজিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার সংস্কৃতি আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। 

অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল-৪ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান মতিন, আবুল কাশেম চৌধুরী এবং ছায়ানীড়ের সভাপতি ড. ইউসুফ খানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় মন্ত্রী কৃতী ব্যক্তিদের নিয়ে প্রকাশিত বই সংগ্রহ ও পড়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের কাছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের গুণী ও সফল ব্যক্তিদের অবদান তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এদিকে অনুষ্ঠানের বক্তব্যে কৃতী ব্যক্তিদের অবদান সংরক্ষণ ও নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে শতবর্ষের সফল ব্যক্তিদের স্মৃতি ও অবদানকে প্রজন্মান্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

মন্তব্য (০)





image

সত্য ও জনগণের স্পৃহাকে কখনো নিষিদ্ধ করে দমিয়ে রাখা যায় না...

নিউজ ডেস্ক : সত্য, চিন্তা এবং জনগণের রাজনৈতিক স্পৃহাকে শক্তি...

image

শপথ নিলেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

নিউজ ডেস্ক : দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফ...

image

প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি: প্রেস...

নিউজ ডেস্ক : বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর...

image

শপথ নিলেন নতুন ৪ মন্ত্রী ও ২ প্রতিমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের...

image

শিক্ষা খাতে সবচেয়ে বড় বাজেট বিএনপি সরকার বাস্তবায়ন করেছে:...

নিউজ ডেস্ক : অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী...

  • company_logo