• সমগ্র বাংলা

বগুড়ার ৯ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসএসসিতে সবাই ফেল

  • সমগ্র বাংলা

ছবিঃ সিএনআই

বগুড়া প্রতিনিধি : এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে বগুড়ার ৮টি দাখিল মাদ্রাসাসহ ১টি কারিগরি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেননি। ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ খুঁজতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সোমবার রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানের রুমে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ইফরাত জেরিন এসএসসির ফলাফল ঘোষণার পর বগুড়ার ৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে জানা গেছে।

বগুড়া শিক্ষা বিভাগের তথ্যমতে, গাবতলী উপজেলার কামারচট্ট বাঠাতন নেছা আলিম মাদ্রাসা, শিবগঞ্জ উপজেলার বালা বত্রিশ দাখিল মাদ্রাসা, ধাড়িয়া গাংগইট দাখিল মাদ্রাসা, দুদাহার রহমানিয়া দাখিল মাদ্রাসা, শেরপুরের কল্যাণী বালিকা দাখিল মাদ্রাসা, মধ্যভাগ বালিকা দাখিল মাদ্রাসা, ধুনটের হাজী কাজেম জোবেদা টেকনিক্যাল বিএম কলেজ, সোনাতলার তেকানী চুকাইনগর পিএম দাখিল মাদ্রাসা এবং ধুনটের রাঙ্গামাটি বালিকা দাখিল মাদ্রাসার ফলাফল বিপর্যয় ঘটেছে। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

উত্তীর্ণ না হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি শিবগঞ্জের বালা বত্রিশ দাখিল মাদ্রাসার সুপার জুয়েলুর রহমান বলেন, তার প্রতিষ্ঠান থেকে এবার পাঁচজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। তাদের প্রতিষ্ঠান নন-এমপিওভুক্ত। শিক্ষার্থীরা অনিয়মিত ছিল, এটি খারাপ ফলাফলের অন্যতম কারণ হতে পারে।
আর গাবতলীর কামারচট্ট বাঠাতন নেছা আলিম মাদ্রাসার সুপার আব্দুল জলিল বলেন, তার ৫০ বছরের কর্মজীবনে এ বছর ছিলো সবচেয়ে দুর্বল ব্যাচ। অনেক চেষ্টা করেও তারা শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল করাতে পারেননি। তারা এক বা দুইটি বিষয়ে আটকে যাওয়ায় পাস করতে পারেনি। মাদ্রাসায় ২১ জন শিক্ষক রয়েছেন। এরপরও কীভাবে এমন ফল হলো, সেটি তারাও বুঝতে পারছেন না।

অন্যদিকে ধুনটের হাজী কাজেম জোবেদা টেকনিক্যাল বিএম কলেজের অধ্যক্ষ ফজলুল হক বলেন, এবার সাতজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। কতজন পাস করেছে বা ফেল করেছে, তিনি এখনও জানতে পারেননি। কলেজ ভবনের ঢালাই কাজ চলায় তিনি ব্যস্ত ছিলেন।
বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মাদ্রাসাগুলোতে বর্তমানে শিক্ষার্থী ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। নানা কারণে অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনা থেকে দূরে চলে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে কীভাবে শিক্ষার্থীদের মাদ্রাসামুখী করা যায়, সেটিই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

এ প্রসঙ্গে বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সালমা আক্তার বলেন, জেলার ৯টি প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে কথা বলে ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ খুঁজে বের করা হবে। ইতোমধ্যেই উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়নে শিক্ষকের ঘাটতি রয়েছে কিনা, প্রতিষ্ঠানগুলোর অন্য কোনো ধরনের সহযোগিতা প্রয়োজন কিনা, সেগুলো চিহ্নিত করা হবে। এরপর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।

মন্তব্য (০)





image

পথশিশুদের ‘স্ট্রিট টু এসএসসি’ যাত্রায় মজার ইশকুল পেল প্রজ...

১

নিজস্ব প্রতিবেদক : পথশিশু ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার আওত...

image

পাবনায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র নাফিউল হত্যা মামলায় হয়রানীর অভ...

২

পাবনা প্রতিনিধি : পাবনার ফরিদপুর উপজেলার বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্র ...

image

নড়াইলে ক্রয়কৃত জমি দখলে বাধা, সংবাদ সম্মেলনে সমীর কুরী

৩

নড়াইল প্রতিনিধি : নড়াইল সদর উপজেলার দুর্গাপুর এলাকায় দলিলমূল...

image

পাবনায় হত্যা মামলায় সাংবাদিক সৌরভের নাম ষড়যন্ত্রমুলক, প্র...

৪

পাবনা প্রতিনিধি : পাবনার ঈশ্বরদীতে মেহেদী হাসান আকিব হত্যা ম...

image

গত ২০ বছরে ইতিহাসিক ঐতিহ্য রক্ষায় প্রাধান্য পায়নি, পুর্নগ...

৫

দিনাজপুর প্রতিনিধি : সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমু...

  • company_logo