• সমগ্র বাংলা

বাকৃবিতে দুই আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, আহত ৪

  • সমগ্র বাংলা

ছবিঃ সংগৃহীত

বাকৃবি প্রতিনিধি: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) দুই আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত চার শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

রোববার (২ আগস্ট) দিবাগত রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাওলানা ভাসানী হল ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের পাশাপাশি ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কৃষি অনুষদের প্রথম বর্ষের (ব্যাচ-৬৫) শিক্ষার্থীদের মেসেঞ্জার গ্রুপে একটি তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত হয়। পরে সেই বিরোধ দুই আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষে রূপ নেয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী জানান, কৃষি অনুষদের সেকশন ‘এ’-এর ক্লাস রিপ্রেজেন্টেটিভ (সিআর) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মেসেঞ্জার গ্রুপে একটি মিম পোস্ট করা হয়। পোস্টটি নিয়ে আপত্তি জানিয়ে এক শিক্ষার্থী অফিশিয়াল গ্রুপে এ ধরনের পোস্ট না দিয়ে ব্যক্তিগতভাবে পাঠানোর পরামর্শ দেন। এ বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। পরবর্তীতে ব্যক্তিগত পর্যায়ের ওই বিরোধ দুই আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, ঘটনার শুরুতে মাওলানা ভাসানী হলের শিক্ষার্থীরা সোহরাওয়ার্দী হলের শিক্ষার্থীদের ধাওয়া করেন। পরে সোহরাওয়ার্দী হলের একদল শিক্ষার্থী ভাসানী হলে গিয়ে ভাঙচুর চালান। এতে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয় এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষে অন্তত চার শিক্ষার্থী আহত হন। আহতদের মধ্যে একজন মাথায় আঘাত পেয়েছেন। অন্যদের হাত-পায়ে জখম হয়েছে বলে জানা গেছে।

ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সদস্য এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। তাদের হস্তক্ষেপে উভয় পক্ষ নিজ নিজ হলে ফিরে গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলথ কেয়ার সেন্টারের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আমিনুল মতিন বলেন, ‘খুব বেশি শিক্ষার্থী আহত হননি। মোট তিন থেকে চারজন আহত হয়েছেন। তারা সবাই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন। কাউকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রয়োজন হয়নি। আহতদের মধ্যে বেশিরভাগই মাওলানা ভাসানী হলের শিক্ষার্থী। সোহরাওয়ার্দী হলের আহতের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম। বড় ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মাহবুবুল প্রতীক সিদ্দিক বলেন, ‘বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনার পর সবাই নিজ নিজ হলে ফিরে গেছে। রাতে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি, এক হলের শিক্ষার্থীরা অন্য হলে ভাঙচুর করেছে। পরে আর কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।’

মন্তব্য (০)





  • company_logo