ছবিঃ সংগৃহীত
নিউজ ডেস্কঃ সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি কমাতে জাতিসংঘ অনুমোদিত 'সেফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ' (নিরাপদ সড়ক কাঠামো) অনুসরণ করে একটি নতুন সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের কাজ করছে সরকার।
স্থানীয় সময় সোমবার (২০ জুলাই) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়ে এ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
তিনি জানান, ২০২১–২০৩০ সালের বৈশ্বিক সড়ক নিরাপত্তা কর্মপরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে বিভিন্ন আইনি, নীতিগত ও প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। এর মধ্যে রয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ভর গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ, দুর্ঘটনার পর দ্রুত জরুরি সেবা নিশ্চিত করা এবং মহাসড়কে পথচারীদের নিরাপত্তা জোরদারে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ।
তিনি বলেন, ‘সেইফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ’ এবং আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম চর্চার আলোকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে একটি সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন চূড়ান্ত করে তা অনুমোদন ও প্রণয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সড়ক নিরাপত্তাকে জাতীয় রাজনৈতিক অগ্রাধিকার উল্লেখ করে শেখ রবিউল আলম বলেন, ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কার্যকর অংশীদারত্ব এবং সবার সম্মিলিত দায়িত্বশীলতা প্রয়োজন। নিরাপদ, টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাবে।
উল্লেখ্য, জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আয়োজিত সড়ক নিরাপত্তা উন্নয়নবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী। প্রতিনিধি দলে রয়েছেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এবং বাংলাদেশ রোড সেফটি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ শব্বির হাসান খান।
নিউজ ডেস্কঃ মামলাপূর্ব বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতা কার্যক্রম ...
নিউজ ডেস্কঃ অ্যাম্বুলেন্স, অগ্নিনির্বাপক, উদ্ধারকাজ কিংবা রা...
নিউজ ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যুক্তরাজ্যের নবনিযুক্ত...
নিউজ ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডি...
নিউজ ডেস্কঃ প্রযুক্তিকে ভয় নয়, ইতিবাচকভাবে কাজে লাগাতে হবে। ...

মন্তব্য (০)