ছবিঃ সংগৃহীত
নিউজ ডেস্ক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের কথিত ‘হত্যার তালিকায়’ তার নাম এক নম্বরে রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, তেহরান জুন মাসে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি বারবার লঙ্ঘন করছে।
তুরস্কে অনুষ্ঠিত ন্যাটো সম্মেলনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, নিরাপত্তাজনিত কারণে তিনি কাতারের উপহার দেওয়া বোয়িং উড়োজাহাজে দেশে ফিরবেন না। এর পরিবর্তে তিনি আগের একটি উড়োজাহাজে ফিরবেন, যা আগে এয়ার ফোর্স ওয়ান হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
হাস্যরসের সুরে ট্রাম্প বলেন, গতকাল আরেকটি তালিকা প্রকাশ হয়েছে। সেখানে হত্যার তালিকায় আমি এক নম্বরে। যদিও টিকটকে এক নম্বরে থাকতে আমার বেশি ভালো লাগে।
যুদ্ধবিরতি নিয়ে নতুন উত্তেজনা
জুন মাসে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও গত ২৪ ঘণ্টায় পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
খবরে বলা হয়েছে, ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালায়। এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, রাডার স্থাপনা ও নৌযানে হামলা চালায়।
পরে ইরানও উপসাগরীয় অঞ্চলে কয়েকটি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালায়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এতে কোনো মার্কিন সেনা হতাহত হননি।
ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের অভিযোগ
ট্রাম্প অভিযোগ করেন, তেহরান বারবার যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভঙ্গ করছে এবং এ নিয়ে তিনি ‘মোটেও সন্তুষ্ট নন’।
তার দাবি, ইরান জাহাজ লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। তিনি দেশটিকে গত প্রায় পাঁচ দশক ধরে ‘মধ্যপ্রাচ্যের দাদাগিরি করা রাষ্ট্র’ বলেও আখ্যা দেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমি মনে করি না, ইরানের সঙ্গে এই চুক্তি টিকবে।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে আরও সামরিক হামলা চালাবে।
তার দাবি, মার্কিন বাহিনী এক রাতেই ইরানের ২৮টি নৌযান ধ্বংস করেছে এবং প্রয়োজনে আরও নৌযান লক্ষ্যবস্তু করা হবে।
এ ছাড়া তিনি পুনরায় বলেন, কোনো অবস্থাতেই ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না।
ট্রাম্পের ভাষায়, ‘ইরানের কাছে যদি পারমাণবিক বোমা থাকত, তবে তারা সেটি ব্যবহার করত।’
খারগ দ্বীপ ও নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গ
ট্রাম্প বলেন, কূটনৈতিক সমঝোতা না হলেও যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জন করতে দেবে না।
তিনি আরও দাবি করেন, প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ অবকাঠামোতে হামলা চালাতে পারে, যদিও তিনি আশা করেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে না।
এ ছাড়া ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে পারে এবং ইরানের বিরুদ্ধে পুনরায় অবরোধও আরোপ করতে পারে।
তথ্যসূত্র: সামা টিভি
নিউজ ডেস্ক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরা...
নিউজ ডেস্ক : ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হাম...
নিউজ ডেস্ক : ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সামরিক হামলার পর আবারও তেলের বাজারে অস্বস্তি দেখা গেছে।...
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পর্যটকদের ভ্রমণকে আরও সহজ ও সাবলীল ক...
নিউজ ডেস্কঃ পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বে...

মন্তব্য (০)