• লিড নিউজ
  • আন্তর্জাতিক

‎চীনে টর্নেডো ও বন্যার তাণ্ডব; উদ্ধারকাজে নামার নির্দেশ শি জিনপিংয়ের ‎

  • Lead News
  • আন্তর্জাতিক

ছবিঃ সংগৃহীত

নিউজ ডেস্কঃ চীনে ভয়াবহ ঝড়, টর্নেডো ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৫ জনে দাঁড়িয়েছে। এসব ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও কয়েক শ মানুষ এবং হাজার হাজার বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। উদ্ধারকাজে সর্বোচ্চ শক্তি নিয়োগ করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

‎রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, মধ্য চীনের হুবেই প্রদেশে বজ্রঝড় ও প্রবল বাতাসে অন্তত ১১ জন নিহত এবং ৩৩১ জন আহত হয়েছেন। সোমবার রাতের এই ঝড়ে প্রায় ৪ হাজার ৮০০ ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ধসে পড়েছে আরও ২২টি। ঝড়ের আকস্মিকতা ও বাতাসের তীব্রতা ছিল অনেক বেশি।

‎অন্যদিকে দক্ষিণ চীনের গুয়াংসি অঞ্চলে টাইফুন মেসাকের প্রভাবে সৃষ্ট প্রবল বৃষ্টি ও বন্যায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। সেখান থেকে অন্তত ৫০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে এবং এখনো আটজন নিখোঁজ রয়েছেন। গুয়াংসির রাজধানী নাননিংয়ে বাঁধ ভেঙে যাওয়ার পর জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে একটি জলাধারের কংক্রিটের দেয়াল ভেঙে কাদা-পানি তীব্র বেগে বের হতে দেখা গেছে।

‎প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং মঙ্গলবার এক বার্তায় জানান, উদ্ধারকর্মীদের ‘সবটুকু সামর্থ্য’ দিয়ে জরুরি তৎপরতা চালানো উচিত। লাইফ জ্যাকেট ও হেলমেট পরে উদ্ধারকর্মীরা নিখোঁজদের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছেন এবং দুর্গম এলাকায় ইনফ্ল্যাটেবল বোট বা হাওয়া ভরা নৌকা ব্যবহার করা হচ্ছে।

‎এছাড়া উত্তর-পশ্চিম চীনের গানসু প্রদেশে একটি গ্রামে আলাদা এক ভূমিধসের ঘটনায় ৩৩ জন আটকা পড়েন। তাদের মধ্যে ১৭ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও বাকি ১৬ জন এখনো মাটির নিচে চাপা পড়ে আছেন। নিখোঁজদের উদ্ধারে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

‎চীনে বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে এ ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ সাধারণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন যে জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে সৃষ্ট বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে এ ধরনের চরম আবহাওয়ার তীব্রতা ও পুনরাবৃত্তি ভবিষ্যতে আরও বাড়বে। গত মে মাসেও চীনের মধ্যাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলে ভারী বৃষ্টিতে অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছিলেন।

মন্তব্য (০)





  • company_logo