• লিড নিউজ
  • অপরাধ ও দুর্নীতি

এক বছরেও অগ্রগতি নেই, জহিরুল ইসলামের অর্থপাচার অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান থমকে

  • Lead News
  • অপরাধ ও দুর্নীতি

ছবিঃ সিএনআই

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সিঙ্গাপুর ও দুবাইয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন ছাড়া অন্তত তিনটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধান শুরু হয়েছিল প্রায় এক বছর আগে। স্মার্ট টেকনোলজিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহিরুল ইসলাম ও তার ভাই মাঝহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে এই অভিযোগের তদন্তে এখনো দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই।

গত বছরের মার্চে দুদক একজন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছিল অর্থপাচারের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে। তবে সেই কর্মকর্তা অবসরে যাওয়ার পর অনুসন্ধান কার্যক্রম কার্যত থমকে আছে বলে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, এসব বিদেশি প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ ও সেখান থেকে অর্জিত আয়ের কোনো তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংক কিংবা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নথিতে নেই। অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০০৯ সালে সিঙ্গাপুরে স্টারসিড টেকনোলজি নামে একটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন দুই ভাই। প্রতিষ্ঠানটির প্রাথমিক মূলধন ছিল ৬০ লাখ সিঙ্গাপুর ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫৮ কোটি টাকা। সিঙ্গাপুরের সরকারি নথি অনুযায়ী দুই ভাইয়ের মালিকানা সমান এবং কোম্পানিটি তুরস্কের নাগরিক পরিচয় ব্যবহার করে নিবন্ধিত হয়েছে।

দুবাইয়ে আরও দুটি প্রতিষ্ঠানের তথ্য পাওয়া গেছে। সিমাল টেকনোলজি মিডল ইস্ট ২০০২ সালে নিবন্ধিত হয়, যেখানে জহিরুল ইসলামের মালিকানা ১৫ শতাংশ এবং মাঝহারুল ইসলামের ৮৫ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসা আফ্রিকাসহ তিনটি মহাদেশে বিস্তৃত বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে ২০০১ সালে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ফ্রি জোনে খোলা হয় টুইনমস টেকনোলজি মিডল ইস্ট, যার কার্যক্রমও বিভিন্ন দেশে বিস্তৃত।

বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনবিআরের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, জহিরুল ইসলাম বা তার প্রতিষ্ঠানের নামে বিদেশে ব্যবসা পরিচালনার কোনো অনুমোদনের তথ্য তাদের কাছে নেই। আয়কর নথিতেও এসব কোম্পানি থেকে অর্জিত আয়ের কোনো হিসাব পাওয়া যায়নি।

নব্বইয়ের দশকে কম্পিউটার ব্যবসা দিয়ে যাত্রা শুরু করা স্মার্ট টেকনোলজিস আগারগাঁওয়ের বিসিএস কম্পিউটার সিটির অন্যতম পুরনো প্রতিষ্ঠান। পরে এর কার্যক্রম প্রযুক্তিখাত ছাড়িয়ে খাদ্য ও নির্মাণ খাতেও বিস্তৃত হয়। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের সঙ্গে অংশীদারিত্বের কথাও জানা যায়।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও জহিরুল ইসলাম কোনো মন্তব্য করেননি।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, অর্থপাচারের প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন এবং পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে হবে। এক বছর পার হলেও এই অনুসন্ধানের দায়িত্বে এখন কে আছেন, সেই প্রশ্নের জবাব এখনো মেলেনি।

মন্তব্য (০)





image

গোপালপুরে আলুবোঝাই পিকআপ থেকে দুই বস্তা গাঁ'জাসহ ৩ জন আটক

গোপালপুর (টাঙ্গাইলপ্রতিনিধি : গ...

image

পঞ্চগড়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে যুবকের কারাদণ্ড

পঞ্চগড় প্রতিনিধি : পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নে বাবা...

image

৩৪ লাখ টাকার আয়ের বিপরীতে ৫ কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ, দু...

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) অথরাইজড...

image

বগুড়ায় মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, ...

বগুড়া প্রতিনিধি : বগুড়া সদর উপজেলার একটি গ্রামে মানসিক ভারসা...

image

দুর্নীতির মামলায় ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড: টেকনাফের সাবেক উ...

কক্সবাজার প্রতিনিধি: কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলা পরিষদের সাবেক...

  • company_logo