ছবিঃ সিএনআই
পাবনা প্রতিনিধি : পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় পূর্ব বিরোধের জেরে জিল্লুর রহমান (৫০) নামের এক জামায়াত নেতাকে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবক আব্দুর রহমান, স্বপন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। আহত জিল্লুর রহমান দাশমরিচ গ্রামের বাসিন্দা ও খানমরিচ ইউনিয়ন জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি এবং পেশায় একজন শিক্ষক।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে উপজেলার দাশমরিচ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত আব্দুর রহমান (২৫) কালিয়ানজিরি গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে। তিনি স্থানীয় বিএনপি কর্মী বলে দাবী জামাযাতের।
ঘটনা জানতে পেরে পাবনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলী আছগার দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে ভাঙ্গুড়া থানা চত্বরে গিয়ে বিক্ষোভ করেছেন।
খানমরিচ ইউনিয়ন জামায়াতের আমির হাফেজ আবুল কালাম বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে জিল্লুর রহমানকে দেখে আব্দুর রহমান কিরে কোথায় জান্নাতের টিকিট বেচতে যাস-বলে কটূক্তি করলে তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। পরে জিল্লুরের সাথে থাকা একজন রহমানকে দুটি চড় মারেন। এই ঘটনার জেরে দুপুরে আব্দুর রহমান ৮ থেকে ১০ জনকে সঙ্গে নিয়ে জিল্লুর রহমানের বাড়িতে যান। এ সময় তারা প্রথমে তার মাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ। পরে জিল্লুর রহমানকে খুঁজতে স্থানীয় একটি স্কুলেও যান হামলাকারীরা। সেখানে তাকে না পেয়ে রাত ৮টার দিকে রাস্তায় পেয়ে জিল্লুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে তারা।
স্থানীয়রা আহত জিল্লুর রহমানকে উদ্ধার করে প্রথমে ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।
ঘটনার পরপরই পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ তুলে ভাঙ্গুড়া থানায় যান পাবনা-৩ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য আলী আছগার। এ সময় দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে থানার সামনে বিক্ষোভ ও স্লোগান দেন তিনি। বিক্ষোভকালে আলী আছগার বলেন, আমার নেতা রক্তাক্ত কেন? প্রশাসন জবাব চাই।
খানমরিচ ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহবায়ক সাদ্দাম হোসেন বলেন, আব্দুর রহমান নামের ঐ অভিযুক্ত ছাত্রদল তথা বিএনপির সাথে কোনভাবেই সম্পৃক্ত নয়। বিএনপিকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করতে এই প্রপাগান্ডা ছড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। মূলত কয়েকদিন আগে স্থানীয় এক জামায়াত কর্মী পরকিয়ার ধরা পরে জনগণের হাতে লাঞ্চিত হয়। সেই বিষয়টা নিয়েই কথা-কাটাকাটি থেকে এই ঘটনার উৎপত্তি।
এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাকিউল আযম বলেন, আহতের পক্ষ থেকে এখনও কোন এজাহার দাখিল করে নাই। তবে ঘটনা থানা পুলিশ অবগত আছে। পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।
পাবনা-৩ (ভাঙ্গুড়া, চাটমোহর, ফরিদপুর) আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা আলী আছগার বলেন, আমার নেতাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মৃতপ্রায় করে ফেলা হয়েছে। তাই তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় থানায় গিয়ে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবী জানিয়েছি।
নওগাঁ প্রতিনিধি : দেশের প্রত্যন্ত এলাকায় বিচারিক সুবিধা পৌঁছ...
গাজীপুর প্রতিনিধি : সপ্তাহজুড়ে কেউ ব্যস্ত স্কুল-কলেজে, কেউ চ...
পঞ্চগড় প্রতিনিধি : পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় করতোয়া নদীতে...
পাবনা প্রতিনিধিঃ নির্মাণাধীন পাবনা মেডিকেল কলেজ প্রকল্প এলাক...
পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ ঢাকায় শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দ...

মন্তব্য (০)