ছবিঃ সংগৃহীত
নিউজ ডেস্ক : মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা এবং জ্বালানি সংকটের মধ্যে বড় এক সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। দেশটি আগামী ১ মে থেকে অরগানাইজেশন অব দ্য পেট্রোলিয়াম এক্সপোর্টিং কান্ট্রিস (ওপেক) ও ওপেক+ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে।
ইউএইর রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ডব্লিইএএম জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত দেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ও জ্বালানি কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এই ঘোষণার কারণে ওপেক বড় ধাক্কা খাবে, বিশেষ করে সৌদি আরবের জন্য শঙ্কা বাড়তে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, অভ্যন্তরীণ জ্বালানি উৎপাদনে বিনিয়োগ দ্রুততর করবে আমিরাতের এই সিদ্ধান্ত। বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে দায়িত্বশীল ও নির্ভরযোগ্য সরবরাহকারী হিসেবে ভূমিকা বজায় রাখবে।
সংস্থাটি আরও জানায়, বর্তমান সিদ্ধান্তের পেছনে জাতীয় স্বার্থ এবং বাজারের জরুরি চাহিদা পূরণের বিষয়টি রয়েছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা, আরব উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে সরবরাহ বিঘ্নের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবাহিত হয়। সাম্প্রতিক উত্তেজনা ও হামলার আশঙ্কায় জাহাজ চলাচল বাধাগ্রস্ত হওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে চাপ বাড়ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইউএইর এই পদক্ষেপ ওপেক ও এর প্রধান প্রভাবশালী দেশ সৌদি আরবের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে। সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরে বৈশ্বিক তেল সরবরাহের এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি নিয়ন্ত্রণ করে আসছে।
এর আগে হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা, তেল পরিবহন ঝুঁকি এবং আঞ্চলিক সংঘাতের কারণে জেট ফুয়েলসহ জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইউএইর এই সিদ্ধান্ত সেই বৃহত্তর সংকট ও অনিশ্চয়তারই প্রতিফলন।
প্রসঙ্গত, ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত ওপেক বৈশ্বিক তেল সরবরাহের এক-তৃতীয়াংশের বেশি উৎপাদন করে, যা জোটটিকে তেলবাজারের সবচেয়ে শক্তিশালী খেলোয়াড়ে পরিণত করেছে। আমিরাত ছাড়া বর্তমানে এই সংগঠনে ১১টি দেশ আছে।
নিউজ ডেস্ক : আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম তিন সপ্তাহের মধ...
নিউজ ডেস্ক : কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে...
নিউজ ডেস্ক : নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ‘ফাতাহ-২’ ক...
নিউজ ডেস্ক : জীবনের সবচেয়ে আনন্দদায়ক দিনটি হওয়ার কথা ছিল সেট...
নিউজ ডেস্ক : মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার কারণে গত মার্চ মাস...

মন্তব্য (০)