• লিড নিউজ
  • জাতীয়

‎ফ্যামিলি কার্ডের সফল বাস্তবায়নে দারিদ্র্যমুক্ত হবে ১ কোটি ২৩ লাখ মানুষ: গবেষণা ‎

  • Lead News
  • জাতীয়

ছবিঃ সংগৃহীত

নিউজ ডেস্কঃ দেশের অতি দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বড় আশার আলো দেখাচ্ছে সরকারের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি। সাম্প্রতিক রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্টের (র‍্যাপিড) এক গবেষণা অনুযায়ী, এই প্রকল্প যদি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হয়, তবে দেশে ১ কোটি ২৩ লাখ মানুষ দারিদ্র্য থেকে স্থায়ী মুক্তি পাবে। একই সঙ্গে অতি দরিদ্র মানুষের সংখ্যা ৫৬ লাখ হ্রাস পাবে এবং প্রায় ১ কোটি ৫৬ লাখ মানুষ অর্থনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হবে।

‎বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ঢাকার গুলশানে আয়োজিত এক সেমিনারে র‍্যাপিডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক এই তথ্য উপস্থাপন করেন।

‎২০২২ সালের হাউজহোল্ড ইনকাম অ্যান্ড এক্সপেন্ডিচার সার্ভের (এইচআইইএস) তথ্যের ভিত্তিতে তিনি জানান, বর্তমানে দেশে সার্বিক দারিদ্র্যের হার ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সকল দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারকে মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সহায়তা প্রদান করলে দারিদ্র্যের হার ১১ দশমিক ৩ শতাংশে নেমে আসবে। এছাড়া অতি দারিদ্র্য ৫ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে কমে ২ দশমিক ২ শতাংশে পৌঁছাবে বলে গবেষণায় দাবি করা হয়েছে।

‎প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগে তার দলের ইশতেহারের অংশ হিসেবে দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ক্ষমতায় আসার পর সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে। বর্তমানে ঢাকার কড়াইল বস্তিতে এই কর্মসূচির একটি পাইলট প্রকল্প চলমান রয়েছে। 

‎র‍্যাপিডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক আশাবাদ ব্যক্ত করেন, প্রতিশ্রুত অর্থ যদি প্রকৃত দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকা মানুষের কাছে পৌঁছানো যায়, তবে বাস্তবায়নের প্রথম বছরেই দারিদ্র্য বিমোচনে দেশ এক অভাবনীয় দৃশ্যমান ফলাফল দেখতে পাবে।

‎সেমিনারে জানানো হয়, অতীতে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচির সুবিধা থেকে প্রায় ৬৩ শতাংশ দরিদ্র মানুষ বঞ্চিত ছিল। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে বর্তমান সরকার ফ্যামিলি কার্ডের ক্ষেত্রে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে চায়। তবে মাঠ পর্যায়ে সুবিধাভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে কিছু অসামঞ্জস্যতা ও চ্যালেঞ্জের কথা উঠে এসেছে। 

‎সমাজকল্যাণ সচিব মোহাম্মদ আবু ইউসুফ প্রকল্পের লক্ষ্য নির্ধারণে আসা বিভিন্ন অভিযোগের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সঠিক তথ্য সংগ্রহ ও সমন্বয় নিশ্চিত করাই এখন এই কর্মসূচির জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

‎তালিকায় স্বচ্ছতার অভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সচিব জানান, এমনও অভিযোগ পাওয়া গেছে যেখানে তিন তলা বাড়ির মালিকের নামও এই তালিকায় উঠেছে। মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, তথ্য সংগ্রহের সময় কোনো কোনো ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করা হয়েছে, যা প্রকৃত দরিদ্রদের অধিকার ক্ষুণ্ণ করছে। 

‎ইউকে ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের সহায়তায় আয়োজিত এই সেমিনারে বক্তারা একটি আধুনিক ও স্বচ্ছ নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন, যাতে ফ্যামিলি কার্ড কেবল প্রকৃত হকদারদের হাতেই পৌঁছায়।

‎বিশেষজ্ঞদের মতে, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর হাতে সরাসরি নগদ অর্থ পৌঁছালে তাদের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং স্থানীয় বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এই উদ্যোগ সফল হলে বাংলাদেশ ২০৩০ সালের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বড় এক ধাপ এগিয়ে যাবে। 

মন্তব্য (০)





image

বিজিবির বিশেষায়িত ড্রোন প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধন কর...

নিউজ ডেস্কঃ বাংলাদেশের সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও আধুন...

image

‎দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর সময় মিললে দিল্লি সফর করবেন তারে...

নিউজ ডেস্কঃ বাংলাদেশ ও ভারত— দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর ...

image

সুপ্রিম কোর্টে বিএনপিপন্থী দুইপক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে হাত...

নিউজ ডেস্ক: বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে অ্যাটর্নি জে...

image

বহুদলীয় গণতন্ত্রই নয়, সংসদীয় গণতন্ত্রও বিএনপির হাত ধরে এস...

নিউজ ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি শুধু বহ...

image

‎খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে লোডশেডিং কমে আসবে: প্রধানমন্ত্রীর...

নিউজ ডেস্কঃ দেশে চলমান লোডশেডিং খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে ...

  • company_logo