• সমগ্র বাংলা

লালমনিরহাটে আওয়ামীলীগ নেতার বাড়িতে দাওয়াত গ্রহন না করেও সমালোচনার মুখে ওসি

  • সমগ্র বাংলা

ছবিঃ সিএনআই

লালমনিরহাট প্রতিনিধি : লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা থানার ওসি শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ গত বৃহস্পতিবারের আলোচিত সেই দাওয়াত গ্রহন না করেও সমালোচনার শিকার হচ্ছেন।এমনকি সেই রাতে কোন আওয়ামীলীগের নেতা বা কর্মীর সাথে কোন বৈঠকও হয়নি তার। এব্যাপারে একটি পক্ষ তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।

অনুসন্ধান ও সরেজমিনে জানা যায়, পুলিশ বিভাগের ঢাকায় রমনা জোনে কর্মরত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শওকত আলীর বাড়ি হাতীবান্ধা উপজেলার পূর্ব সিন্দুরনা গ্রামে। তিনি সেখানে গত বৃহস্পতিবার শীতবস্ত্র বিতরণ করেছেন। এবং প্রতিবেশী ও তার বান্ধবী অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সাখাওয়াত হোসেন ওরফে রঞ্জুর মেয়ে শারমিন মুনার বাড়িতে দাওয়াত খেয়েছেন।

আরও জানা যায়, সাখাওয়াত হোসেন রঞ্জু একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে অবসরে গেছেন। তারই মেয়ে শাকিলা খন্দকার  মুনা ওই পুলিশ কর্মকর্তার ১৯৯৮ ব্যাচের বন্ধু। বন্ধুত্বের সুত্র ধরেই তাদের পারিবারিক দাওয়াতে স্বপরিবারে উপস্থিত ছিলেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা। সেই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে নিরাপত্তা ও সৌজন্যতা দেখাতে গিয়ে সেখানে যাওয়াই কাল হয়ে দাঁড়ায় সেই ওসির। ওই দাওয়াতে অংশ নেননি হাতীবান্ধার ওসি শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ । তিনি  ওই উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে দেখা করার জন্য সেখানে গিয়েছিলেন ।

প্রত্যক্ষদর্শী ওই এলাকার মোকছেদুর রহমান জানান,ওই রাতে পুলিশের গাড়ী দেখে ওই বাড়ীর ভিতরে প্রবেশ করে কিছু কলেজের শিক্ষার্থীসহ পুলিশের ঢাকার সেই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে খাইতে দেখি। সেটা ছিলো শাখাওয়াত হোসেন রঞ্জুর বাসা । সেখানে অন্য কোন আওয়ামী লীগের লোকজন উপস্থিত ছিলোনা । একটি পক্ষ এটিকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুল তথ্য উপস্থাপন করে বিভ্রান্ত ছড়ানোর চেষ্টা করছে।

স্থানীয় হাবিবুর রহমান জানান,সেই দিন রাতে ওসি এসেছিলো কিন্তু ভিতরে যেতে দেখি নাই। তিনি বড় অফিসারের সাথে দেখা করে চলে গেছে।
স্থানীয়রা বলেন, তাজু আওয়ামী লীগ করে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এটা সত্য আবার এটাও সত্য যে পুলিশের বড় অফিসার দাওয়াত খাইতে এসেছিলো তার বন্ধু শিক্ষিকা শারমিন মুনার বাসায়। তাজুর বাসায় নয়। এখানে আওয়ামীলীগের কোনো লোকজনকে আমি দেখি নাই। তবে এটা তো রিজুর ও বাড়ি। রিজুতো ছাত্রদলের সাবেক নেতা তাহলে তার নাম না দিয়ে কেন বারবার তাজুর নাম জড়ানো হচ্ছে।স্থানীয় অনেকের দাবী অহেতুকভাবে ওসিকে ফাঁসানো হচ্ছে। তিনি যোগদানের পর থেকে সততা ও দক্ষতার সাথে এ থানায় কাজ করছেন।

তবে সুষ্ঠু তদন্ত করলেই বেরিয়ে আসবে প্রকৃত ঘটনা। এ ব্যাপারে হাতীবান্ধা থানার ওসি শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ জানান,আমি নিয়মিত ডিউটিতে ছিলাম। যেহেতু আমার এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তার নিজ বাড়িতে বেড়াতে এসেছেন। তাই সৌজন্যতার খাতিরে আমি তার সঙ্গে দেখা করতে যাই। সেখানে আমি কোন দাওয়াতে অংশগ্রহণ করিনি। আমাকে অন্যায় ভাবে ফাঁসানো হচ্ছে।

এ ব্যাপারে লালমনিরহাট পুলিশ সুপার মোঃ আসাদুজ্জামান জানান,এ ব্যাপারে পুলিশের এক কর্মকর্তাকে দিয়ে তদন্ত করা হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা চিহ্নিত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।

মন্তব্য (০)





image

তারাকান্দায় জমি বিরোধে মারধর ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ

ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি : ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলায় জমি সংক্র...

image

হাদী হত্যার বিচার দাবিতে মুক্তাগাছায় দীর্ঘ মানববন্ধন

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি : ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় শহীদ শরীফ ওসমান ...

image

বগুড়ায় মামলার স্বাক্ষী হওয়ার জেরে বৃদ্ধকে হত্যা, আহত ৪

বগুড়া প্রতিনিধি : বগুড়ার জমি ও বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধে...

image

ফরিদপুরে গণভোটে “হ্যাঁ” এর পক্ষে জনমত সৃষ্টিতে প্রচারণা

ফরিদপুর প্রতিনিধি : গণভোটে স্বতস্ফুর্ত অংশগ্রহন এবং হ্যাঁ ভো...

image

আশেক মাহমুদ কলেজের অধ্যক্ষের অফিসে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা

জামালপুর প্রতিনিধি : জামালপুরের সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজে অধ্যক্ষের প্রধা...

  • company_logo