ছবিঃ সংগৃহীত
সাতকানিয়া প্রতিনিধিঃ শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগ এবং তার দেশ ছাড়ার পর থেকে চট্টগ্রাম জেলা সাতকানিয়া উপজেলার আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনগুলোর শীর্ষ নেতাসহ ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত কয়েক শতাধিক নেতাকর্মী ঘর-বাড়ি ছেড়ে আত্মগোপনে চলে গেছেন। আত্মগোপনে যাওয়া এসব নেতাদের মধ্যে উপজেলা থেকে বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও দলীয় শীর্ষ পদধারী নেতারাও রয়েছেন।
দলের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও গা ঢাকা দিয়েছেন। হামলা-মামলার ভয়ে আত্মীয়-স্বজনের কাছে আশ্রয় নিয়েছেন অনেকে। উপজেলা পরিষদ, পৌরসভাসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের অফিস ঘুরে দেখা গেছে, প্রধান ফটক বন্ধ করে কার্যক্রম খোলা থাকলেও জনপ্রতিনিধিরা নেই। কর্মকর্তা-কর্মচারীও কম। আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িতদের ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
দায়িত্বশীল কাউকেই জন সম্মুখে দেখা যায়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তৃণমূলের বেশ কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী বলেন, ‘দলীয় প্রধান, বড় নেতা, মন্ত্রী-এমপিরা দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। আমরা কোথায় যাই? সুসময়ে তাদের পাহারা দিয়েছি, পাশে থেকেছি। দলের সংকটে দলীয় প্রধানের এভাবে পলায়ন, ঘৃণা লাগছে রাজনীতিকে। নেতাকর্মীদের কে তারা এভাবে ঝুঁকিতে ফেলে দলীয় প্রধান দেশত্যাগ করবেন কেউ ভাবেননি।
সাধারণ কর্মীরা এখন তাদের বাড়ি-ঘরে হামলা ও মারধরের শিকার হচ্ছে। উপজেলা বিএনপির নেতারা জানান, বিএনপি প্রতিশোধ পরায়ণ না হয়ে সাম্যের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। দমন পীড়ন জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির আদর্শের পরিপন্থী। বিএনপি সব নাগরিকের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সুন্দর দেশ গড়তে চায়।
সাতকানিয়া জামাতের নেতারা জানান, দলের নেতাকর্মীদের সংযত আচরণ করার আহ্বান করা হচ্ছে। এবং কারো বাড়িঘর, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান বা কোনো কিছুতে হামলা ভাঙচুর বা লুটপাটসহ এ জাতীয় কিছু নষ্ট করা যাবে না। কেউ করলে প্রতিহত করতে হবে। আমাদের নেতা কর্মীদেরকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে শান্তির পরিবেশ বজায় রাখার জন্য ।
কক্সবাজার প্রতিনিধি: সেন্টমার্টিন দ্বীপের দক্ষিন পাড়ার ...
বগুড়া প্রতিনিধিঃ বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে রি...
ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসি...
কক্সবাজার প্রতিনিধি: কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরি...
বগুড়া প্রতিনিধিঃ বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জি...

মন্তব্য (০)