• সমগ্র বাংলা

চুয়াডাঙ্গায় দুই সন্তানের জননীকে সঙ্গবদ্ধ ধর্ষণ, ৪ যুবকের নামে মামলা

  • সমগ্র বাংলা

ছবিঃ সংগৃহীত

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার কয়া গ্রামের মাঝ পাড়ার দুই সন্তানের জননীকে বাড়ির পাশে থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করেছে এমন অভিযোগে ওই গ্রামের ৪ যুবকের নামে ধর্ষণ মামলা রজু হয়েছে। 

শনিবার (১৩ জুলাই)  রাত সাড়ে ৭টার দিকে এ ধর্ষণের ঘঘটনা ঘটেছে বলে জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাবিদ হাসান এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এঘটনায় ১৪ জুলাই  ধর্ষিতা নিজে বাদী হয়ে নারী শিশু নির্যাতন দমন ২০২০ সালের ( সংশোধনী) আইনের ৯ এর ( ক) ধারায় জীবননগর থানায় একই গ্রামের চার ব্যাক্তির বিরুদ্ধে  মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নম্বর ২৫/২০২৪। 

এ মামলার অভিযুক্ত আসামী লাল্টু মল্লিকসহ সবাই পলাতক রয়েছে। 

জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাবিদ হাসান ধর্ষিতার দায়েরকৃত মামলার উদ্ধৃতি দিয়ে জানান, থানার কয়া গ্রামের মাঝ পাড়ার দুই সন্তানের জননী গত শনিবার দিনগত রাতে অনুমান সাড়ে ৭টার দিকে বাড়ির পাশের টিউবওয়েলে পানি আনতে যায়। এসময় একই গ্রামের  আবুল কালামের ছেলে লাল্টু মল্লিক (৩০), নওশের আলীর ছেলে মোঃ খালিদ হোসেন (২২), মুসা আলীর ছেলে জব্বার হোসেন (১৮) ও মৃত গোপাল মন্ডলের ছেলে  ইকরা হোসেনস (৪৫) চারজন মিলে দুই সন্তানের জননীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে ধর্ষণকারীরা ওই নারীকে গ্রামের পাশের চাঁন মিয়ার পেয়ারার বাগানে নিয়ে যায় এবং পালাক্রমে গণধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর ধর্ষণকারীরা ধর্ষিতাকে হত্যার হুমকি দিয়ে সাবধান করে দেয়, সে যেন ধর্ষণের ঘটনা কাউকে না বলে।

ধর্ষিতা ধর্ষণকারীদের কাছে থেকে ফিরে এসে ওই রাতে গ্রামের গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের সাথে ধর্ষণের ঘটনা বললে গ্রামবাসীরা প্রথমে বিষয়টি মিমাংসার চেষ্টা করে। পরে ধর্ষিতা অপরাধীদের উপযুক্ত শাস্তির আশায় রোববার ( ১৪ জুলাই) দুপুরে উল্ল্যেখিত ৪ যুবকের নামে নিজে বাদী হয়ে নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।

এবিষয়ে চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস, নাজিম উদ্দীন আল আজাদ ( পিপিএম সেবা) তিনি জানান, বাদীর মামলা রজুর পর মামলার তদন্ত কাজ চলছে একই সাথে ভিক্টিমের  ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং অভিযুক্ত পলাতক আসামীদেরকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ কাজ করছে। 

এছাড়া বাদীর ডাক্তারী পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামতের প্রমাণ মিললে দোষীদের বিরুদ্ধে আদালতে আইনের সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন করা হবে।

মন্তব্য (০)





  • company_logo