ছবিঃ সংগৃহীত
কালিয়াকৈর প্রতিনিধিঃ গাজীপুরের কালিয়াকৈরে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের ডিউটিরত এক শিক্ষককে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্রের ভেতরে এন্ড্রয়েট ফোন বহন করা ও গত বাংলা ২য় পত্র পরীক্ষার প্রশ্ন ও সেই প্রশ্নের সমাধান পত্রের ছবি দ্বন্দ্বপ্রাপ্ত শিক্ষকের মোবাইলে পাওয়ায় এ কারাদণ্ড ও জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
তবে ছবি তোলার বিষয়টি গুরুত্ব না দিয়ে পরীক্ষার কেন্দ্রে স্মার্টফোন বহন করা নিষেধ, এই মর্মে তাকে এই সাজা দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু স্কুল এন্ড কলেজ এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। কারাদণ্ডপ্রাপ্ত শিক্ষক হলেন-উপজেলার সফিপুর আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক সৈকত হোসেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে ইংরেজি পরীক্ষা চলাকালে সৈকত হোসেন ডিউটি শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এক পর্যায়ে তিনি তার সাথে থাকা স্মার্ট মোবাইল ফোন বহন করা অবস্থায় দেখতে পান। পরে তার মোবাইল তদন্ত করলে দেখা যায় ওই ফোন দিয়ে গত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও সেই প্রশ্নের সমাধানের ছবি পাওয়া যায়।
এমতাবস্থায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকি তার ফোনটি জব্দ করেন। তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলেই ওই শিক্ষককে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা জরিমানা করেন। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তারা।
উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তা জাকির হোসেন মোল্লা জানান, স্মার্টফোন ব্যবহার করার কারণে ওই অভিযুক্ত শিক্ষককে জেল জরিমানা করা হয়েছে। কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকি বলেন, পরীক্ষার কেন্দ্রে স্মার্টফোন বহন করা সম্পূর্ণ নিষেধ। ওই শিক্ষককে কেন্দ্রের ভেতর স্মার্টফোন ব্যবহার করা ও পরীক্ষায় প্রশ্নের ছবি পাওয়া গেছে। সে মোর মেয়ে তাকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে জেল জরিমানা করা হয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল থানার ২০১৭ সালের একটি ম...
গোপালপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি : গ...
পঞ্চগড় প্রতিনিধি : পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নে বাবা...
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) অথরাইজড...
বগুড়া প্রতিনিধি : বগুড়া সদর উপজেলার একটি গ্রামে মানসিক ভারসা...

মন্তব্য (০)