ফাইল ছবি
নিউজ ডেস্কঃ স্বল্প আয়ের মানুষের সবচেয়ে সহজতর পুষ্টির জোগান পোল্ট্রি। অথচ মাস দেড়েক ধরে সেই ডিম-মুরগির দাম যেন কিছুতেই নাগালে আসছে না। লাল ডিমের ডজন কিনতে দেড়শ টাকাই গুণতে হচ্ছে ক্রেতাদের। দেশি মুরগি আর হাঁসের ডিমের দাম তো বরাবরই আকাশচুম্বী। বাজারে সোনালী মুরগির ডিমের সরবরাহ বেড়েছে। তবে তার ডজন মিলছে ১৮০ টাকা খরচে।
বিক্রেতাদের মতে, এই সময়ে বৈরি আবহাওয়ায় ডিমের উৎপাদন কমই থাকে। তার ওপর ব্যবসায় লোকসান হওয়ায় অনেক ছোট খামারি ডিম উৎপাদন থেকে সরে গেছে। তারই ধাক্কা লেগেছে সরবরাহে।
এদিকে, আজ শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ব্রয়লার বিকোচ্ছে ১৮০ টাকা কেজিতে। তবে অন্য অনেক বাজারে ১৯০-২০০ টাকা পড়ছে ব্রয়লারের দাম। সোনালির দামও স্থির, কমার নাম নেই। লোডশেডিং আর ফিডের দামবৃদ্ধিকে দুষছেন বিক্রেতারা।
এদিকে, সবজির বাজারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। লাউ, পেপে, শষা, কাকরোলের দাম কম হলেও শিম, গোল বেগুন টমেটোর দাম এখনও শ'য়ের উপরেই বিক্রি হচ্ছে। তবে যত শীতকাল এগিয়ে আসবে ততো সরবরাহ বাড়বে বলে আশা তাদের।
এতে বেশ ক্ষুব্ধ ক্রেতারা। তারা বলছেন, বাজার তদারকি আধুনিক করা উচিত। উৎপাদন থেকে বাজার, সবক্ষেত্রেই যৌক্তিক দাম নিশ্চিতের তাগিদ সকলের।
এছাড়া, স্থানীয় আড়তগুলোতে মাছের দাম কিছুটা কমলেও রাজধানীর চিত্র ভিন্ন। বেশিরভাগ মাছের দাম বেশি। বিশেষ করে নদ-নদীর মাছের সরবরাহ বাড়লেও দামের আঁচ কমছে না। একই চিত্র ইলিশের দামেও। যোগান বৃদ্ধির তেমন একটা সুফল নেই।
অন্যদিকে, ভারতীয় ইলিশে বাজার সয়লাব। তুলনামূলক কম দামে মিলছে ঠিকই, কিন্তু তাতে নেই দেশি ইলিশের স্বাদ।
নিউজ ডেস্কঃ আগেই থেকে চড়া মাছের বাজার। জ্বালানি তেলের মূল্যব...
নিউজ ডেস্ক : দেশে প্রাথমিকভাবে চারটি ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদ...
নিউজ ডেস্ক : বাংলাদেশে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচিতে শরিয়াহভিত্ত...
নিউজ ডেস্কঃ বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে অপ্রচলিত বা...
নিউজ ডেস্ক : পোশাক খাতের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও সমস্যা সমাধানে বি...

মন্তব্য (০)