• তথ্য ও প্রযুক্তি

এআই ব্যবহারের আগে যে ৫ বিষয় অবশ্যই জানা উচিত

  • তথ্য ও প্রযুক্তি

ছবিঃ সংগৃহীত

তথ্য প্রযুক্তি ডেস্ক : বর্তমান ডিজিটাল যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই আমাদের দৈনন্দিন জীবন ও কাজের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। তবে এর অবাধ ব্যবহারের ফলে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, তথ্যগত নির্ভুলতা এবং নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কিছু ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। 

কোনো এআই টুল বা চ্যাটবট ব্যবহার করার আগে যে পাঁচটি বিষয়ে সচেতন থাকা অত্যন্ত জরুরি, তা নিচে আলোচনা করা হলো: 

১. গোপনীয় ও সংবেদনশীল তথ্য শেয়ার না করা

এআই প্ল্যাটফর্মগুলোতে প্রম্পট বা কমান্ড হিসেবে যা কিছু ইনপুট করা হয়, তা অনেক সময় কোম্পানির সার্ভারে সংরক্ষিত হয় এবং মডেলের মান উন্নয়নে ব্যবহার করা হতে পারে। 

তাই ব্যাংকের হিসাব নম্বর, পিন কোড, পাসওয়ার্ড, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, কিংবা অফিসের কোনো গোপনীয় ও সংবেদনশীল নথিপত্র কখনোই এআই টুলের সঙ্গে শেয়ার করা উচিত নয়। তথ্য সুরক্ষায় যেকোনো সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে সবসময় সতর্ক থাকা দরকার। 

২. অন্ধভাবে এআই-এর ওপর ভরসা না করা 

এআই টুলগুলো অনেক সময় অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গিতে ভুল, ভুয়া বা পুরোনো তথ্য প্রদান করতে পারে, যাকে প্রযুক্তির ভাষায় ‘হ্যালুসিনেশন’ বলা হয়। বিশেষ করে চিকিৎসা, আইনি পরামর্শ, বা আর্থিক লেনদেনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে কেবল এআইয়ের ওপর নির্ভর না করে সবসময় নির্ভরযোগ্য ও পেশাদার উৎস থেকে তা যাচাই করে নেওয়া উচিত। 

৩. প্ল্যাটফর্মের প্রাইভেসি ও ডাটা পলিসি জেনে নেওয়া

যেকোনো নতুন এআই টুল বা অ্যাপ ব্যবহারের আগে তাদের নিয়মাবলি ও প্রাইভেসি পলিসি পড়ে নেওয়া উচিত। অনেক অ্যাপ ব্যবহারকারীর ব্রাউজিং আচরণ, লোকেশন বা ব্যক্তিগত ডাটা সংগ্রহ করে এবং তা তৃতীয় পক্ষের কাছে হস্তান্তর করতে পারে। তাই অ্যাকাউন্ট খোলার সময় টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন চালু রাখা এবং অপ্রয়োজনীয় ডাটা শেয়ারিং অপশন বন্ধ রাখা নিরাপদ। 

৪. এআই-উত্পাদিত ডিপফেক ও ভুয়া কনটেন্ট সম্পর্কে সজাগ থাকা

জেনারেটিভ এআইয়ের মাধ্যমে বর্তমানে নিখুঁত ছবি, ভিডিও, এমনকি মানুষের কণ্ঠস্বর হুবহু নকল (ভয়েস ক্লোনিং) করা সম্ভব। সাইবার অপরাধীরা এই প্রযুক্তির অপব্যবহার করে ভুয়া খবর ছড়ানো কিংবা পরিবারের সদস্য সেজে আর্থিক জালিয়াতি বা ব্ল্যাকমেইলের মতো অপরাধ ঘটাচ্ছে। তাই যেকোনো সন্দেহজনক তথ্য বা দৃশ্য দেখলে তা যাচাই না করে বিশ্বাস করা থেকে বিরত থাকতে হবে। 

৫. নিজস্ব বুদ্ধিমত্তা ও কর্মদক্ষতা বজায় রাখা

এআইকে কাজের সহায়ক মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ হলেও এর ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হয়ে পড়া নিজের চিন্তাশক্তি ও সৃজনশীলতার জন্য হুমকিস্বরূপ। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে বাড়ির কাজ বা লেখালেখির পুরো দায়িত্ব এআইয়ের হাতে ছেড়ে দিলে নিজস্ব মেধা বিকাশের সুযোগ বাধাগ্রস্ত হয়। তাই এআইকে কেবল একটি সহায়ক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করাই শ্রেয়।

মন্তব্য (০)





image

মেটার মিউজ এআই: বদলে যাবে দৈনন্দিন কাজের ধরন, আসছে যেসব ন...

১

তথ্য প্রযুক্তি ডেস্ক : ব্যক্তিগত কৃত্রিম বু...

image

‎হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট ফাঁস ঠেকাতে এখনই চালু করুন ৩ সেটিংস ‎

২

‎নিউজ ডেস্কঃ ব্যক্তিগত কথোপকথন, ছবি, ভিডিও, গুরুত্বপূর্ণ...

image

চ্যাটজিপিটির চেয়ে মিউজের ডাউনলোড বেশি

৩

তথ্য প্রযুক্তি ডেস্ক : মেটার নতুন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) অ্যাপ মিউজ ম...

image

গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগে গুগলকে ৪৬৩ মিলিয়ন ডলার জরিমানা

৪

তথ্য প্রযুক্তি ডেস্ক : ব্যবহারকারীদের অবস্থানসংক্রান্ত (লোকেশন) তথ্য প্র...

image

শুধু প্রশ্নের উত্তর নয়, কাজও করবে নতুন সিরি

৫

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক: আইফোনের কণ্ঠনির্ভর সহকারী সিরিকে নতুন ক...

  • company_logo