ছবিঃ সিএনআই
ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি : ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার ৬নং মাইজবাগ ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা মোঃ আনিসুজ্জামানের বিরুদ্ধে স্বাক্ষর জালিয়াতি, দুর্নীতি ও চেয়ারম্যানকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় তার নিয়োগ বাতিল ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যবৃন্দ।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ মার্চ ২০২৬ তারিখে উদ্যোক্তা মোঃ আনিসুজ্জামান চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর জাল করে সাফিয়া আক্তার নামে এক ব্যক্তির কাছে একটি অনলাইন ট্রেড লাইসেন্স বিক্রি করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে জালিয়াতির প্রমাণ মুছে ফেলতে আনিসুজ্জামান ওই গ্রাহকের কাছ থেকে লাইসেন্সের কপিটি কেড়ে নিয়ে টুকরো টুকরো করে ছিঁড়ে ফেলেন।
চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যরা জানান, জালিয়াতির বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে আনিসুজ্জামান ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তিনি প্রকাশ্য দিবালোকে চেয়ারম্যান ও সকল সদস্যকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং চেয়ারম্যানকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। তারা আরো জানান, ইউনিয়ন পরিষদের পাশেই কুমুরিয়ার চর গ্রামে তার বাড়ি হওয়ায় তিনি প্রভাব খাটিয়ে প্রায়ই পরিষদের সদস্যদের সাথে ‘তুই-তোকারি’ ও অশোভন আচরণ করেন।
আনিসুজ্জামানের বিরুদ্ধে এটিই প্রথম অভিযোগ নয়। এর আগেও তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, সরকারি কার্ডের টাকা আত্মসাৎ ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। ইতিপূর্বে ২০ সেপ্টেম্বর ২০২২ সালে চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যগণ জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এছাড়াও ৪ জানুয়ারি ২০২৫ সালে তারাটি গ্রামের আলমগীর কবির ভুঁইয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর, পরবরর্তিতে ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ সালে দূর্নীতি দমন কমিশন বরাবর ও ১২ অক্টোবর বিভাগীয় কমিশানার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এছাড়া তিনি এবং অপর উদ্যোক্তা মর্জিনা আক্তার নিয়মিত কর্মস্থলে উপস্থিত না থাকায় সাধারণ মানুষ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এবং সরকারি কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
মাইজবাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ছায়েদুল ইসলাম বাবুল বলেন, আনিসুজ্জামান চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর নকল করে যে ধৃষ্টতা দেখিয়েছে তা অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ। সে পরিষদের নিয়ম কানুন তোয়াক্কা করে না এবং প্রতিবাদ করলে হত্যার হুমকি দেয়। আমরা তার দ্রুত অপসারণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
এবিষয়ে অভিযুক্ত আনিসুজ্জামান সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। চেয়ারম্যানের সঙ্গে সামান্য কথা কাটাকাটি হয়েছে, এর বেশি কিছু নয়। তারাটি গ্রামের আলমগীর কবির ভুঁইয়ার অভিযোগ গুলোও মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রহমান জানান, এবিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কুমিল্লা প্রতিনিধি : কুমিল্লার সীমান্ত এলাকা থেকে বিভিন্ন সম...
নীলফামারী প্রতিনিধি : সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ভুয়া ফে...
গোপালপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি : গ্রামীণ শিক...
ফরিদপুর প্রতিনিধি : ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় হাতির সঙ্গে ধা...
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃ দক্ষিণ আফ্রিকায় একটি দোকানে ভয়াবহ অগ্...

মন্তব্য (০)