ছবিঃ সংগৃহীত
নিউজ ডেস্ক : বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ বাস্তবায়ন না করলে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশের সব মিল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)।
রাজধানীর কারওয়ানবাজারে বিটিএম-এ কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন সংগঠনটির সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল।
তিনি বলেন, টেক্সটাইল শিল্প স্টেট অব ইমার্জেন্সি অবস্থায় পৌঁছে গেছে। জিডিপিতে এই খাতের অবদান ১৩ শতাংশ হলেও অন্তর্বর্তী সরকার এই শিল্পের সমস্যা শোনার মতো ১৩ মিনিট সময়ও দেয় না। আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় একে অন্যের পিলো পাসিং (বালিশ খেলা) করছে।
বিটিএমএ সভাপতি আরও বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ বাস্তবায়ন না হলে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে সব স্পিনিং মিলগুলো অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হবে। ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কোনো দায়-দেনা পরবর্তীতে আর আমাদের পক্ষে পরিশোধ করা সম্ভব হবে না। এর ফলে ব্যাংক ও আর্থিক খাতের বিপর্যয়ের সম্পূর্ণ দায় সরকারকে বহন করতে হবে। এই সিদ্ধান্তের কারণে কোনো শ্রমিক অসন্তোষ তৈরি হলে এর দায় সরকারের উপর বর্তাবে।
মালিকদের বর্তমান আর্থিক দূরবস্থার চিত্র তুলে ধরে শওকত আজিজ রাসেল আরও বলেন, 'আমাদের পুঁজি অর্ধেক হয়ে গেছে। ব্যাংকের টাকা পরিশোধের কোনো ব্যবস্থা নেই। সব সম্পত্তি বিক্রি করে দিলেও শোধ করা যাবে না।'
প্রসঙ্গত, দেশের টেক্সটাইল শিল্প রক্ষায় সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এজন্য ব্যবস্থা নিতে গত ১২ জানুয়ারি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) চিঠি দিয়েছে সংস্থাটি।পরিপ্রেক্ষিতে এনবিআর সুতা আমদানির তথ্য খতিয়ে দেখছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, গত দুই অর্থবছরে বন্ড সুবিধায় সুতার আমদানি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে দেশীয় সুতার বিক্রয় হ্রাস পেয়েছে। বর্তমানে সুতা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো উৎপাদন ক্ষমতার ৬০ শতাংশ উৎপাদন করছে। এর ফলে স্থানীয় সুতা উৎপাদনকারী মিলগুলো ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। ইতোমধ্যে দেশীয় বৃহৎ প্রায় ৫০টি সুতা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। সুতা আমদানির এই বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে অন্য সুতা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হওয়ার উপক্রম হবে বলে উদ্যোক্তারা আশঙ্কা জানিয়েছে। এছাড়া অদূর ভবিষ্যতে নিট গার্মেন্টস উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো আমদানি সুতার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে। যা দেশের গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিযোগী সক্ষমতা হ্রাস, লিড টাইম বৃদ্ধি, মূল্য সংযোজনের পরিমাণ হ্রাস এবং মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমবে। কাজেই জরুরি ভিত্তিতে এর প্রতিবিধান না করা হলে সুতা উৎপাদনকারী টেক্সটাইল খাতটি অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হবে।
চিঠিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা অব্যাহত রাখতে এবং স্থানীয় শিল্প, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সুরক্ষায় ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের অনুরোধ জানানো হয়। একই সঙ্গে বাণিজ্যিক আমদানির ক্ষেত্রে বিল অব এন্ট্রিতে (বি/ই) পণ্যের বর্ণনায় সুতার কাউন্ট স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে কাস্টমস হাউজগুলোকে নির্দেশনা দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
নিউজ ডেস্ক : আজ শুক্রবার, সাপ্তাহিক ছুটির দিন। সে কারণে আজ সকাল থেকেই ঢা...
নিউজ ডেস্ক : কিছুটা দাম কমানোর মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশের বাজারে আবা...
নিউজ ডেস্ক : সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের মুনাফা প্রদান সংক্রান্ত বিষয়ে বাংল...
নিউজ ডেস্ক : দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) ...
নিউজ ডেস্ক : জানুয়ারির প্রথম ২১ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৩৩ কোটি ১০...

মন্তব্য (০)