• লিড নিউজ
  • অর্থনীতি

টমেটো ও শসার কেজি ১০০ টাকা

  • Lead News
  • অর্থনীতি

ছবিঃ সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক : বাজারে সরবরাহ বাড়ায় ক্রেতার নাগালে শীতের সবজির দাম। তবে এখনো পাকা টমেটো ও শসা বিক্রি হচ্ছে উচ্চমূল্যে। এই দুটি সবজি কিনতে ক্রেতাকে কেজিপ্রতি ১০০ টাকা খরচ করতে হচ্ছে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকার পরও প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ ১২০-১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিম ও মুরগির দামে কিছুটা স্বস্তি থাকলেও সব ধরনের মাছ বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। শুক্রবার রাজধানীর খুচরা বাজার ঘুরে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

বিক্রেতারা জানান, খুচরা বাজারে ছুটির দিন প্রতিকেজি বেগুন বিক্রি হয়েছে ৪৫-৫০ টাকা। যা সাত দিন আগেও ১০ টাকা বেশি ছিল। প্রতিকেজি মুলা বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫৪ টাকায়। প্রতিকেজি শালগম কিনতে ক্রেতার ৪০ টাকা খরচ করতে হচ্ছে। এছাড়া শিম বিক্রি হচ্ছে ৫০-৫৫ টাকায়। মিষ্টিকুমড়া প্রতিকেজি ৫০ টাকা ও পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। প্রতি পিস ফুলকপি আকারভেদে ২৫-৪০ টাকা। বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকায়। খুচরা বাজারে আলু কেজি ২৫-৩০ টাকা। তবে বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকার পরও পাকা টমেটো ও শসা প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০-১০০ টাকা। গাজর ৫০ টাকা, কাঁচা টমেটো ৪০ ও পেঁয়াজের ফুল প্রতি আঁটি বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকা।

নয়াবাজারে সবজি কিনতে আসা মো. শাকিল বলেন, শীতের সবজির দাম কমতে শুরু করেছে। দামও নাগালের মধ্যে রয়েছে। তবে সবজির মধ্যে টমেটো ও শসার দাম এখনো অনেক বেশি। তিনি বলেন, বিক্রেতারা ইচ্ছা করে দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছে।

একই বাজারের সবজি বিক্রেতা মকবুল হোসেন বলেন, শীতের সব ধরনের সবজিতে ভরপুর বাজার। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে রাতে ট্রাকবোঝাই করে সবজি নামছে। পাইকারিতে কমেছে সবজির দাম। যে কারণে খুচরায় দাম কমেছে। তবে শীতে টমেটো ও শসার আবাদ নষ্ট হওয়ায় সরবরাহ একটু কম। যে কারণে দাম এখনো বেশি। সরবরাহ বাড়লেই দাম কমে আসবে।

এদিকে সবজির মতো ডিম ও মুরগির দামে কিছুটা স্বস্তি রয়েছে। খুচরা বাজারে ফার্মের মুরগির ডিম প্রতি ডজন বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা। যা কিছুদিন আগেও ১২০ টাকা ছিল। সাদা ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১২০-১২৫ টাকা এবং দেশি হাঁসের ডিম ১৯০-২০০ টাকা ডজন বিক্রি হচ্ছে। প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৭০-২৮০ টাকা। এক সপ্তাহ আগেও কেজিতে ১০ টাকা বেশি ছিল। তবে গরু ও খাসির মাংস চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে। এক কেজি গরুর মাংস কিনতে ক্রেতার খরচ হচ্ছে ৭৫০ থেকে সর্বোচ্চ ৮০০ টাকা। খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১১০০-১২০০ টাকা কেজি।

তবে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের মাছ। সরবরাহ থাকলেও দাম যেন কমছে না। খুচরা বাজারে প্রতিকেজি কোরাল বিক্রি হচ্ছে ৭০০-৯০০ টাকা, আইড় ৭০০-৮০০ টাকা, শিং মাছের দাম কিছুটা কমে প্রতিকেজি ৩০০-৪০০ টাকা। এছাড়া টেংরা মাছ বিক্রি হচ্ছে ৬০০-৭০০ টাকা, সরপুঁটি ৩০০-৪৫০ টাকা এবং পাঙাশ ও সিলভার কার্প বিক্রি হচ্ছে ১৮০-২৮০ টাকা কেজি। আকারভেদে প্রতিকেজি চিংড়ি ৭৫০-১২০০ টাকা। এক কেজির বেশি আকারের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ২২০০-২৫০০ টাকা। দেড় কেজি থেকে দুই কেজি ওজনের ইলিশ প্রতিকেজি ২৬০০-৩০০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

মন্তব্য (০)





image

৯৪.৭০ শতাংশ পোশাক কারখানায় বোনাস পরিশোধ: বিজিএমইএ

নিউজ ডেস্ক : ঢাকা ও চট্টগ্রামে ২ হাজার ১৩৩টি চালু কারখানার ম...

image

জেট ফুয়েলের নতুন দাম নির্ধারণ

নিউজ ডেস্ক : জেট ফুয়েলের দাম প্রতি লিটারে প্রায় ৩৯ টাকা কমিয়ে নতুন দাম ন...

image

৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা তহবিল ঘোষণা করলেন গভর্নর

নিউজ ডেস্ক : বন্ধ কারখানা সচল, কৃষি উৎপাদন বাড়ানো ও চলতি মূলধন ঋণ সুবিধা...

image

দেশের রিজার্ভ এখন ৩৪.৫৩ বিলিয়ন ডলার

নিউজ ডেস্ক : দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বেড়েছে। বর্তমানে রিজার্ভ ৩৪ হাজার ৫৩৯ দশমিক...

image

দেশের রিজার্ভ এখন ৩৪.৫৩ বিলিয়ন ডলার

নিউজ ডেস্ক : দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বেড়েছে। ব...

  • company_logo