• জাতীয়

রাষ্ট্র পুনর্গঠনে জিয়াউর রহমান থেকে তারেক রহমান

  • জাতীয়

ছবিঃ সংগৃহীত

নিউজ ডেস্কঃ  রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর একটি দেশের সামনে সবচেয়ে কঠিন কাজগুলোর একটি হলো বিদ্যমান রাষ্ট্রযন্ত্রকে নতুন প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিচালনা করা। সরকার পরিবর্তন হয়, কিন্তু প্রশাসন, পুলিশ, বিচারব্যবস্থা এবং জনসেবা দেওয়ার প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়েই নতুন সরকারকে দেশ গঠনে কাজ চালিয়ে যেতে হয়। বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতায় এই প্রশ্ন বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ: ফ্যাসিবাদের সময়ে নিয়োগ দেওয়া প্রশাসনকে নিয়েই নতুন বাংলাদেশ কত দূর এগোতে পারবে?

৭ নভেম্বরের সিপাহী–জনতার বিপ্লবের দিবসে এমন প্রশ্নটি খুবই গুরুত্বের সাথে সামনে এসেছে। অনেক বছর পর এবার এই দিবসটি জোরেসারে পালিত হয়েছে। জুলাই বিপ্লবের পরের বিএনপি সরকারের কাছে এটির গুরুত্ব অসীম। সিপাহী-জনতার বিপ্লব জিয়াউর রহমানকে রাষ্ট্রক্ষমতার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছিল এবং তিনি বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি রচনা করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তেমনি জুলাই বিপ্লব পরবর্তী গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন এবং নতুন বাংলাদেশ গঠনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

১৯৭৫ সালে শেখ মুজিবুর রহমান সরকারি কর্মকর্তাদের বাকশালের সদস্য হতে বাধ্য করেছিলেন। এর কাঠামোয় বিভিন্ন দল, সংগঠন, সার্ভিস ও বাহিনীকে একটি জাতীয় দলের আওতায় আনার ব্যবস্থা ছিল। জেলা প্রশাসনকেও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বসম্পন্ন নতুন কাঠামোয় সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। ফলে রাষ্ট্রীয় প্রশাসন এবং দলীয় সংগঠন একাকার হয়ে গিয়েছিল।

প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাকশালের গড়ে তোলা প্রশাসনিক জনবলকে দিয়েই রাষ্ট্র পরিচালনা করেছেন। অত্যন্ত বিচক্ষণতার সাথে নানাবিধ প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে তিনি একটি আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গঠনের ভিত্তি রচনা করতে সক্ষম হয়েছিলেন। রাষ্ট্রের অর্থনীতিকে করেছেন উৎপাদনশীল, প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকর এবং মানুষকে নিজের ভবিষ্যৎ নির্মাণে অংশ নেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করে গেছেন। আত্মনির্ভরশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় তার নেওয়া উদ্যোগকে শত্রুরাও স্বীকার করেন।

ঠিক জুলাই বিপ্লবের পর বাংলাদেশ আবারও একই ধরনের একটি বাস্তব প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছে। শেখ হাসিনার দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনামলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দলীয় ক্ষমতা রক্ষার কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এর অনুসন্ধানে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকার, নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থা এবং আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত সহিংস গোষ্ঠীর পদ্ধতিগত গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনে সম্পৃক্ততার যুক্তিসংগত প্রমাণ পাওয়া গেছে।

তবে ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় চাকরি করা এবং স্বেচ্ছায় তার দমনমূলক কর্মকাণ্ডের হাতিয়ার হয়ে ওঠা এক বিষয় নয়। একজন কর্মকর্তা নিয়মিত প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেছেন; আবার অন্য কেউ বেআইনি নির্দেশ দিয়েছেন বা বাস্তবায়ন করেছেন; আবার কেউ রাজনৈতিক চাপের মধ্যে নিজের দায়িত্বের সীমা রক্ষার চেষ্টা করেছেন। তাদের সবাইকে যেমন একইভাবে মূল্যায়ন করলে ব্যক্তিগত দায় নির্ধারণের সুযোগ নষ্ট হয়। তেমনি আওয়ামী লীগের বিগত ১৭ বছরে যেমন কড়াকড়ির মধ্য দিয়ে সরকারি নিয়োগ ও পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে, তাতে ফ্যাসিবাদের দোসরের তকমা ছাড়া কোনো অফিসার খুঁজে পাওয়া কঠিন।

পরিসংখ্যানটাও খুবই জটিল। ২০০১-০৬ আমলে বিএনপি সরকার প্রশাসনে নিয়োগ দিতে মাত্র দু'টি বিসিএস সম্পন্ন করেছিল। পক্ষান্তরে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে কমপক্ষে ১৯টি বিসিএস পরীক্ষার মধ্য দিয়ে প্রশাসনের বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। মূলত: একজন ম্যাজিসট্রেট, এসি ল্যান্ড, ডিসি, এডিসি, থেকে শুরু করে বর্তমানে ডেপুটি সেক্রেটারি সবাই এই সময়ে নিয়োগপ্রাপ্ত। আবার, সচিব হিসেবে যারা দায়িত্ব পালন করছেন তাদের বড় অংশ সবাই আওয়ামী লীগের ১৯৯৬-২০০১ সালের সময়ে চাকুরিজীবন শুরু করেন। এখন প্রশ্ন হলো - ওই সরকারের সময়ে নিয়োগ হলে কী সবাই আওয়ামী লীগ। অবশ্যই না। তবে আওয়ামী লীগ ২০০৯ সালের পর যেভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া করেছে, তাতে আপনি মনে-প্রাণে আওয়ামী লীগ না হলেও আপনাকে আওয়ামী লীগ হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করতে হয়েছে। ইউনিয়ন ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সুপারিশপত্র নিয়ে বিসিএস ইন্টারভিউ এবং পরবর্তী অনুসন্ধানে এমন সুপারিশ অঘোষিতভাবে বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। অতএব, এমন নিঁখুতভাবে রিক্রুট করা কর্মকর্তাদের সবাইকেই 'ফ্যাসিবাদের দোসর' হওয়ার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়েছে। 

ধরুন, ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের ডাকসাইটের নেত্রী ছিলেন। ফ্যাসিবাদের সময়ে প্রশাসনের একজন কর্তকর্তা হিসেবে নিজেকে টিকিয়ে রাখতে তাকে শেখ মুজিবের স্তুতির গান পরিবশন করতে হয়েছে মঞ্চে। সাধারণ কর্মকর্তারা তাহলে ফ্যাসিবাদের দোসর হতে আরো কত কিছু করেছে - তার ফিরিস্তি সহজই অনুমেয়।

নিয়োগ ও পদোন্নতিতে রাজনৈতিক আনুগত্যের প্রভাবও এই আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য বিভাগের ২৩ জুলাই ২০২৫-এর বাংলাদেশ প্রতিবেদনের ৩.৮৩ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারি চাকরি, ব্যবসা ও উচ্চশিক্ষার বহু সুযোগের ওপর একচেটিয়া প্রভাব প্রতিষ্ঠা করেছিল। ফলে সফল হওয়ার জন্য কেউ কেউ দল বা তার অঙ্গসংগঠনে যোগ দেওয়ার চাপ অনুভব করতেন। এই পর্যবেক্ষণ রাজনৈতিক পরিবেশের সঙ্গে ব্যক্তির মানিয়ে নেওয়ার বাস্তবতা বুঝতে সাহায্য করে।

তাহলে প্রশ্নো হলো - প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফ্যাসিবাদের গড়ে তোলা প্রশাসনযন্ত্রকে কিভাবে কাজে লাগাতে চান? বাবা জিয়াউর রহমানের দেখানো পথেই হাঁটছেন তিনি। তার নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক ধারার প্রতিনিধিত্বের স্থান দিয়েছেন। প্রশাসনেও তিনি অন্তর্ভুক্তিমূলক অবস্থানের প্রমাণ রাখতে চেষ্টা করছেন। নিয়োগ-পদোন্নতিতেও তিনি সততা, দক্ষতা এবং দায়িত্বশীলতাকে মূল্যায়নের ভিত্তি হিসেবে দেখতে চান।

প্রশাসনের উদ্দেশে তার প্রকাশ্য বক্তব্যেও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন পাওয়া যায়। ২৫ এপ্রিল ২০২৬-এর বিআইএএমের অনুষ্ঠানে তিনি কর্মকর্তাদের মেধা ও দক্ষতার মাধ্যমে সরকারের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও নৈতিকতার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং কর্মকর্তাদের জনগণের সেবক ও বন্ধু হিসেবে কাজ করতে বলেন।

এই অবস্থানকে কার্যকর করতে কর্মকর্তাদের কাছে দায়িত্ব পালনের স্পষ্ট নিশ্চয়তা পৌঁছিয়েছেন তিনি। সততার সঙ্গে আইনসংগত কাজ করলে তারা সুরক্ষা পাবেন, আর ক্ষমতার অপব্যবহার করলে জবাবদিহি করতে হবে। তাতে উদ্যোগ নেওয়ার সাহস তৈরি হবে এবং দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতাও কমবে।

বর্তমান রাষ্ট্র পরিচালনার বাস্তবতা হলো, মাঠ প্রশাসন থেকে মন্ত্রণালয় পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরে পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁদের অভিজ্ঞতা বাদ দিয়ে রাষ্ট্রের দৈনন্দিন কার্যক্রম চালানো সম্ভব নয়। ভূমিসেবা, আইনশৃঙ্খলা, রাজস্ব ব্যবস্থাপনা, উন্নয়ন প্রকল্প এবং অসংখ্য জনসেবা অব্যাহত রাখতে হয়। একজন আমলা যেন প্রশাসনিক দক্ষতা দিয়ে, একজন পুলিশ কর্মকর্তা যেন আইন প্রয়োগে পেশাদারিত্ব দিয়ে এবং একজন বিচারক যেন স্বাধীন বিচারিক বিবেচনা দিয়ে নিজের দায়িত্ব পালন করতে পারেন— রাষ্ট্র পুনর্গঠনের জন্য এমন পরিবেশ নিশ্চিত করতে চান তারেক রহমান।

তাহলে প্রশ্ন হলো, পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে গড়ে ওঠা প্রশাসন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কত দূর যেতে পারবেন? আমার উত্তর হলো, বিদ্যমান কর্মকর্তাদের কাজের উপযুক্ত পরিবেশ দেওয়া এবং প্রতিষ্ঠানের মধ্যে জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর সেই অগ্রগতি অনেকাংশে নির্ভর করবে। পুরো প্রশাসনকে সন্দেহের মধ্যে রেখে রাষ্ট্রকে গতিশীল করা যেমন কঠিন, তেমনি প্রশাসনের মধ্যে এখনও যারা স্পাই হিসেবে কাজ করছেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণও জরুরী।

লন্ডনস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন আয়োজিত বিপ্লব ও সংহতি দিবসের এক আলোচনায় অংশ নিয়ে আমি ৭ নভেম্বরের শিক্ষা ও বর্তমান সরকারের প্রেক্ষাপট তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। বিশেষ করে প্রশাসনের কর্মকর্তারা যাতে ফ্যাসিবাদের তকমা নিয়ে দোলাচলে না থেকে দেশগঠনে জিয়াউর রহমানের আমলের আদলে নিজের দায়িত্ব পালন করে যান - এমন আহ্বান-ই ছিল আমার বক্তব্যের মূল প্রতিবাদ্য। 

সেখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাণীকে উদ্ধৃত করে আমরা বলেছি “ভবিষ্যতে আর কেউ যাতে দেশ এবং জনগণের অধিকার হরণ করতে না পারে, দেশকে তাবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে, এটিই হোক আমাদের এবারের ৭ নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার। এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নে প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য।”

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ-এর হাইকমিশনার মুহাম্মদ আবদুল মুহিত একজন সরকার কর্মকর্তা হিসেবে তার সহকর্মীদের কাছে একই আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বাবার মতো সবাইকে দেশ গঠনে কাজে লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছেন।’ এই সুযোগটি যাতে সবাই গ্রহণ করেন এবং নতুন বাংলাদেশ গঠনে প্রধানমন্ত্রীর সহযাত্রী হন, সেই আহ্বান জানান তিনি।

জিয়াউর রহমান ও তারেক রহমানের সময়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ক্ষমতা গ্রহণের প্রক্রিয়া ভিন্ন হলেও রাষ্ট্র পরিচালনার একটি মৌলিক প্রশ্নে তাদের পথপরিক্রমায় সাদৃশ্য বিদ্যমান। এখন প্রশ্ন হলো - উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া প্রশাসনিক কাঠামোকে জাতীয় উন্নয়নের কাজে নিয়োজিত করতে সক্ষম হবেন  কি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান?

আমার বিবেচনায়, বাকশালের সময়কার প্রশাসন থেকে জিয়াউর রহমানের আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গঠন এবং আওয়ামী লীগ আমলের প্রশাসন থেকে তারেক রহমানের রাষ্ট্র পুনর্গঠনের প্রচেষ্টার বিষয়টি দেশের জনগণ, প্রশাসন এবং তার দল বিএনপি নেতাকর্মীদের অনুধাবন করা জরুরী। দেশ গঠনের জন্য বিদ্যমান মানুষের সক্ষমতাকে কাজে লাগাতে আরো স্পষ্ট বার্তা থাকতে হবে। সেই সক্ষমতার সঙ্গে সততা, পেশাদারিত্ব এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পারলেই একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ ও টেকসই বাংলাদেশ গঠন সম্ভব হতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর এমন দেশপ্রেম ও মুক্ত দর্শনকে কি সরকারি কর্মকর্তারা সম্মান দেখাতে পারবেন? নিজেরা দেশপ্রেমে বলীয়ান হয়ে দেশ গঠনে কতটুকু মনোনিবেশ করছেন তারা - এ নিয়ে এখনও প্রশ্ন রয়েছে। সামনের দিনগুলো কেমন যাবে এবং এই পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কতটুকু সফল হবেন -  তা সময়ের হাতেই ছেড়ে দিতে হবে।

 

মন্তব্য (০)





image

সমবায় আন্দোলনকে পুনরুজ্জীবিত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

১

নিউজ ডেস্কঃ  সমবায় আন্দোলনকে পুনরুজ্জীবিত করতে সমবায় সম...

image

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় সাত বাংলাদেশির মৃত্যুতে প্রধানমন্...

২

নিউজ ডেস্কঃ  সৌদি আরবে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় সাত বাং...

image

ঝিনাইদহের জামায়াতের এমপিরা সঠিকভাবে প্রতিনিধিত্ব করতে পার...

৩

নিউজ ডেস্কঃ  ঝিনাইদহ থেকে নির্বাচিত জামায়াতে ইসলামীর এম...

image

ঝিনাইদহের জামায়াতের এমপিরা সঠিকভাবে প্রতিনিধিত্ব করতে পার...

৪

নিউজ ডেস্কঃ  ঝিনাইদহ থেকে নির্বাচিত জামায়াতে ইসলামীর এম...

image

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় সাত বাংলাদেশির মৃত্যুতে প্রধানমন্...

৫

নিউজ ডেস্কঃ  সৌদি আরবে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় সাত বাং...

  • company_logo