• সমগ্র বাংলা

ক্লাসে অনুপস্থিত থেকেও বেতন উত্তোলনের অভিযোগ

  • সমগ্র বাংলা

ছবিঃ সিএনআই

জামালপুর প্রতিনিধি : জামালপুরের মেলান্দহ পৌরসভার কেপি আঞ্জুমানওয়ারা ফারুক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা রোকসানা আমিনের বিরুদ্ধে নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত না থেকেও সরকারি বেতন উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামানের গাফিলতির অভিযোগও তুলেছেন স্থানীয়রা। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একজন কর্মকর্তা  পরিদর্শন করে সহকারী শিক্ষিকাকে টানা ছয় দিন অনুপস্থিত পাওয়ার কথা জানিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামানের শ্যালকের স্ত্রী রোকসানা আমিন। স্বামীর চাকরির সুবাদে তিনি ময়মনসিংহে বসবাস করেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি সপ্তাহ বা তারও বেশি সময় পর বিদ্যালয়ে এসে একদিনেই হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করতেন এবং নিয়মিত ক্লাস না নিয়েও বেতন-ভাতা উত্তোলন করতেন।

বুধবার (১৫ জুলাই) সরেজমিনে বিদ্যালয়ে গিয়ে রোকসানা আমিনকে অনুপস্থিত পাওয়া যায়। এ সময় মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের সহায়তায় হাজিরা খাতা দেখতে চাইলে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে তা দেখাতে অপারগতা প্রকাশ করে। পরে সহকারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে হাজিরা খাতা পর্যালোচনা করেন।

পরিদর্শনে দেখা যায়, রোকসানা আমিন ছুটির আবেদন জমা দিলেও তাতে ছুটির নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ নেই। এমনকি আবেদনপত্রে তার স্বাক্ষরও ছিল না। হাজিরা খাতা পর্যালোচনায় তাকে টানা ছয় দিন অনুপস্থিত পাওয়া যায়।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে সহকারী শিক্ষিকা রোকসানা আমিনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান বলেন, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তারা বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছেন। তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী রোকসানা আমিনকে অনুপস্থিত দেখানো হয়েছে। শিক্ষা অফিস যে সিদ্ধান্ত দেবে, সেটিই বাস্তবায়ন করা হবে। প্রয়োজনে অনুপস্থিত ছয় দিনের বেতন কর্তন করা হবে।

মেলান্দহ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আজাদুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, বিষয়টি জানার পর সহকারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিদ্যালয়ে পাঠানো হয়। পরিদর্শনে সহকারী শিক্ষিকাকে ছয় দিন অনুপস্থিত পাওয়া গেছে। এর আগেও একই ধরনের অভিযোগে তাকে সতর্ক করা হয়েছিল। এখন প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে।

মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিন্নাতুল আরা বলেন, বিষয়টি আমার জানা হয়েছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রধান শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সহকারী শিক্ষিকাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য (০)





image

পাবনায় এবার তৃতীয় শ্রেনীর শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার ...

১

পাবনা প্রতিনিধি : পাবনা সদর উপজেলায় শিশু কলি ধর্ষণ ও হত্যার ...

image

পথশিশুদের ‘স্ট্রিট টু এসএসসি’ যাত্রায় মজার ইশকুল পেল প্রজ...

২

নিজস্ব প্রতিবেদক : পথশিশু ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার আওত...

image

পাবনায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র নাফিউল হত্যা মামলায় হয়রানীর অভ...

৩

পাবনা প্রতিনিধি : পাবনার ফরিদপুর উপজেলার বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্র ...

image

নড়াইলে ক্রয়কৃত জমি দখলে বাধা, সংবাদ সম্মেলনে সমীর কুরী

৪

নড়াইল প্রতিনিধি : নড়াইল সদর উপজেলার দুর্গাপুর এলাকায় দলিলমূল...

image

পাবনায় হত্যা মামলায় সাংবাদিক সৌরভের নাম ষড়যন্ত্রমুলক, প্র...

৫

পাবনা প্রতিনিধি : পাবনার ঈশ্বরদীতে মেহেদী হাসান আকিব হত্যা ম...

  • company_logo