• লিড নিউজ
  • জাতীয়

যেকোনো ত্যাগ স্বীকার করতে রাজী আছি, আলেমদের ওপর অত্যাচার-জুলুম হতে দিবো না: ধর্মমন্ত্রী

  • Lead News
  • জাতীয়

ছবিঃ সিএনআই

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) বলেছেন, প্রয়োজনে যেকোনো ত্যাগ স্বীকার করতে রাজী আছি। কিন্তু আলেম-ওলামাদের ওপর কোনো অবিচার-অত্যাচার, জুলুম হতে দিব না, ইনশাআল্লাহ। মাদ্রাসাগুলোকে যেন বঞ্চিত করা না হয়, তাদের প্রতি যেন অবিচার না করা হয় সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনার বিষয়ে আমরা সোচ্চার আছি।

‎আজ সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়া সংরক্ষণে আলেম-ওলামাদের করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

‎ধর্মমন্ত্রী বলেন, ওলামায়ে কেরামদের জন্য ইসলাম টিকে আছে, টিকে থাকবে। ইসলামের প্রচারের জন্য এবং মাদ্রাসাগুলো চালানোর জন্য কারো কোনো সাহায্য প্রয়োজন হয় না। আল্লাহপাকই
‎কিয়ামত পর্যন্ত এগুলোকে টিকিয়ে রাখবেন। এদেশের আলেমসমাজ একটি প্লাটফর্মে আসতে পারলে অনেককিছুই সম্ভব বলে মন্তব্য করেন তিনি।

‎চামড়া সংরক্ষণে আলেমদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে ধর্মমন্ত্রী বলেন, অতীতে আমরা দেখেছি  দাম না পেয়ে চামড়া মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে। এমনটি যেন না ঘটে। এই চেষ্টা আপনাদেরকে করতে হবে।  এ বিষয়ে সরকারও সোচ্চার ভূমিকা পালন করবে। চামড়ার গুণগত মান যেন ভালো থাকে সেভাবে চামড়া ছাড়ানো ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ জানান তিনি। এছাড়া, চামড়া সিন্ডিকেট ও দালালের দৌরাত্ম্য বন্ধ করার বিষয়ে কঠোর হুশিয়ারি দেন মন্ত্রী।  

‎আলেমদের সমাজের ধারক ও বাহক হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ১৯৭৯ সালের গণভোটে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কোনো সংগঠন ছিলো না।  বাংলার জমিনের পীর-মাশায়েখ, কওমি ওলামায়ে কেরাম, মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকরা সেদিন শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কর্মী হিসেবে কাজ করেছিলেন। তারাই সেদিন জিয়াউর রহমানকে 'হ্যাঁ' ভোট দিয়ে বিজয় এনে দিয়েছিলেন। তিনি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধসহ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে কওমি আলেম-ওলামাদের ভূমিকার জন্য তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

‎ধর্মমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে কোনো সরকার প্রধানই ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী ভাতার কথা চিন্তা করেন নি। তারেক রহমান সেটা করেছেন। পর্যায়ক্রমে দেশের সকল মসজিদ ও  অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ের কর্মরত ব্যক্তিরা এই সম্মানী ভাতা পাবেন।

‎ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আঃ ছালাম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন ধর্মসচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ। ইফা সচিব শেখ মুর্শিদুল ইসলাম, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক ড. মুহাম্মদ হারুনুর রশীদ, মুহাদ্দিস ড. ওয়ালীয়ুর রহমান খান, জামিয়া ফোরকানিয়া লালবাগ মাদ্রাসার মুহাদ্দিস হাফেজ মুফতি যুবায়ের আহমদ, আজিমপুর ফয়জুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন প্রমুখ বক্তৃতা করেন।

‎বক্তারা চামড়ার যথাযথ মূল্য নিশ্চিত করার জন্য সরকারকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানান।

‎এ অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন মাদ্রাসা মুহতামিম, শিক্ষক, বিভিন্ন মসজিদের খতিব, ইমামসহ ওলামা-মাশায়েখরা অংশগ্রহণ করেন।

মন্তব্য (০)





image

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাতারের শ্রমমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

নিউজ ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ...

image

অন্তর্বর্তী সরকার ঢাকার ১২টা বাজিয়ে গেছে: আবদুস সালাম

নিউজ ডেস্ক : বিগত অন্তর্বর্তী সরকার ১৮ মাসে ঢাকা শহরের ১২টা ...

image

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের জ্বালানি চুক্তিতে কী আছে?

নিউজ ডেস্ক : জ্বালানি খাতে কৌশলগত সহযোগিতার লক্ষ্যে যুক্তরাষ...

image

দুই দিনের সফরে ঢাকায় কাতারের শ্রমমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক : দুই দিনের সফরে ঢাকায় এসেছেন কাতারের শ্রমমন্ত্রী...

image

সড়ক নিরাপত্তায় সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প...

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ চালকের অদক্ষতা, অসচেতনতা, স্বেচ্ছাচার...

  • company_logo