• লিড নিউজ
  • অর্থনীতি

যুদ্ধের প্রভাবে অনিশ্চয়তায় মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজার

  • Lead News
  • অর্থনীতি

ছবিঃ সংগৃহীত

নিউজ ডেস্কঃ ইরানের সাথে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধে অনিশ্চয়তার মুখে মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজার। বাংলাদেশি কর্মীদের প্রায় ৯০ শতাংশেরই কর্মসংস্থান হয় এসব দেশে। গত বছর শুধু সৌদি আরবেই কর্মসংস্থানই হয়েছে ৬৭ শতাংশের। সব মিলিয়ে ৬৫ থেকে ৭০ লাখ মানুষ কর্মরত মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে। যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে চাকরি হারানোর পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান সংকুচিত হয়ে আসবে বলেও আশঙ্কা বিশ্লেষকদের।
‎
‎অভিবাসন বিশ্লেষক আসিফ মুনীর বলেছেন, দুইভাবে প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা, যারা ইতোমধ্যে যাওয়ার চিন্তা করছেন; আবার যারা সেখানে আছেন, কাজ করছেন বা মাত্র সেখানে গেছেন দুই ক্ষেত্রেই প্রভাব পড়বে। সেই ক্ষেত্রে বিভিন্ন দিক চিন্তার পাশাপাশি এটাও ভাবা দরকার যে শুধু মধ্যপ্রাচ্য না, আমাদের শ্রমবাজার সম্প্রসারণটা দরকার।
‎
‎শ্রম ও অভিবাসন বিশ্লেষক হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণের মতে, আমাদের কর্মীরা কিন্তু সেখানে চাকরি হারাতে পারে। কর্মীদেরকে ফেরত আনতে হতে পারে। আবার যেসব কর্মী যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছেন, তারা হয়তো খুব দ্রুত না-ও যেতে পারে। সবমিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আমাদের অভিবাসন খাতে বড় একটা চ্যালেঞ্জ, বড় সমস্যা এই মুহূর্তে তৈরি হতে পারে।
‎
‎চলমান যুদ্ধের কারণে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন অনেক প্রবাসী কর্মী। তাদের নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি আপদকালীন সময়ে অর্থ সহায়তার বিষয়টি সরকারকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনার পরামর্শ বিশ্লেষকদের।
‎
‎আসিফ মুনীর বলেছেন, সাময়িকভাবে কোনো জায়গায় শেল্টারের ব্যবস্থা করা, যেখানে তারা নিরাপদ আশ্রয় নিতে পারেন। অথবা তাদের যদি অনিরাপদ শহর ছেড়ে নিরাপদ শহরে যেতে হয়, কীভাবে কোথায় আশ্রয় নিতে পারে সেই ব্যবস্থা করা। সবার ব্যবস্থা হয়তো সরকার করতে পারবে না। সেখানে ওখানকার স্থানীয় সরকার বা সেখানের যে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ আছে, তাদের সাথে আমাদের দূতাবাস যোগাযোগ করতে পারে, দ্রুতই যোগাযোগ করা যেতে পারে।
‎
‎হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, আমাদের একটি মানুষও কোনো কারণে যেন হতাহত না হয়, দূতাবাসের পক্ষ থেকে তাদেরকে যাতে সতর্ক করা হয়। পাশাপাশি তাদেরকে আপদকালীন কোনো অর্থ সাহায্য দরকার হলে, যদি কোনো কোম্পানি বন্ধ হয়ে যায়, কিংবা চাকুরিচ্যুত হলে আপদকালীন অন্তপক্ষে তাদের থাকার ও খাবার ব্যবস্থ্য করা। দূতাবাসের পক্ষ থেকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে এটি বিবেচনা করতে হবে।
‎
‎প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, যুদ্ধকালীন সংকটে থাকা কর্মীদের সহায়তায় সবধরনের উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। নিরাপদ আশ্রয়, খাদ্য সহায়তাসহ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে দূতাবাসগুলোকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
‎
‎তিনি বলেছেন, সেফটি সিকিউরিটির জন্য আমাদের নাগরিকদের যেখানে যেটা প্রয়োজন রাষ্ট্রদূতদেরকে সে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নিরাপদে আশ্রয় রাখা, এমনকি কারও হয়তো কর্মসংস্থান নেই, খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করা— এসব বিষয়ে দুই মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করতেছি।
‎
‎আটকে পড়া শ্রমিকদের ছুটি এবং ভিসার মেয়াদ বাড়াতে সংশ্লিষ্ট দেশের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী।

মন্তব্য (০)





image

অনুমোদন পেল ৪ ডিজিটাল ব্যাংক

১

নিউজ ডেস্ক : দেশে প্রাথমিকভাবে চারটি ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদ...

image

সর্বজনীন পেনশনে শরিয়াহভিত্তিক পদ্ধতি কীভাবে কার্যকর হবে?

২

নিউজ ডেস্ক : বাংলাদেশে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচিতে শরিয়াহভিত্ত...

image

অপ্রচলিত বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে নতুন রেকর্ড

৩

‎নিউজ ডেস্কঃ বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে অপ্রচলিত বা...

image

পোশাক খাতের সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

৪

নিউজ ডেস্ক : পোশাক খাতের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও সমস্যা সমাধানে বি...

image

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪ শতাংশ: এডিবি

৫

নিউজ ডেস্কঃ চলতি ২০২৬–২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক...

  • company_logo