• অপরাধ ও দুর্নীতি

মানিকগঞ্জে পুলিশ কনস্টেবলের স্ত্রী বিলকিস আক্তারকে হত্যার আসামী গ্রেপ্তার, লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধার

  • অপরাধ ও দুর্নীতি
  • ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১৯:৪৯:৪০

ছবিঃ সিএনআই

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মানিকগঞ্জে পুলিশ কনস্টেবলের স্ত্রী বিলকিস আক্তারকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়েছিল। আজ (বুধবার) দুপুর ১২টার দিকে মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খাঁন। চারদিনের মধ্যে খুনের রহস্য উন্মোচন, হত্যাকারী সকলকে আটকসহ লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার করেছেন বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘পূর্ব পরিচিত হওয়ায় গত ১০ সেপ্টেম্বর রাতে মানিকগঞ্জ পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের রির্জাভ ট্যাংক এলাকার পুলিশ কনস্টেবল মাসুদ রানার ভাড়া বাসায় বেড়াতে আসে কবির হোসেন (৩০), তার স্ত্রী আখিঁ মনি লিপি (২০), রিয়াজ উদ্দিন সরদার রিয়াজ(২৬) ও শাকিল হাসান(১৯)। পুলিশ কনস্টেবল মাসুদ রানা চাকুরী সুত্রে গাজীপুরে থাকার কারণে দুই শিশু সন্তানকে ওই বাসায় ছিলেন তার স্ত্রী বিলকিস আক্তার। বাসায় ঢুকে তারা বাসার সকলকে ঘুমের ঔষধ মেশানো কোমল পানীয় ও জুস খাওয়ান। এর পরে তারা অচেতন হয়ে পড়লে পাশের রুমে ছেলে ও মেয়েকে রেখে রিয়াজ উদ্দিন বিলকিসকে র্ধষণ করেন।

 রপর তারা বিলকিসের হাত, পা ও মুখ বেধে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে এবং মোবাইল ফোন, স্বর্ণালংকার এবং নগদ অর্থ নিয়ে ওই রাতে পালিয়ে যায়।স্থানীয়দের কাছে খবর পেয়ে পরের দিন শনিবার সকালে বিলকিস আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করাহয়। এ ঘটনার দিন নিহতের বাবা মজেম আলী বাদি সদর থানায় অজ্ঞাত আসামীদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তিনি বলেন, ‘গ্রেফতারকৃত কবির হোসেন ও রিয়াজ উদ্দিন সরদার রিয়াজের বাড়ি রাজবাড়ি জেলায়,  শাকিল হাসানের বাড়ি বগুড়া এবং আখিঁ মনি লিপির বাড়ি রংপুর জেলায়। কবির এবং লিপি স্বামী-স্ত্রী এবং অন্যরা একে অপরের আত্নীয়। এই চক্রটি অর্থ-সম্পদ লুট করার জন্য পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত ৩টি মোবাইল ফোন, একটি রোপার নুপুর, একটি স্বর্ণেও পায়েল, ৩টি স্বর্ণের কানের রিং, একটি ব্রেসলেট, একটি লকেট ও ২টি কানের দুল এবং নগদ ৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘নিহতের মেয়ের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সর্বপ্রথম আখিঁ আক্তার লিপিকে গ্রেফতার করা হয়। 

এবতার দেওয়া তথ্য অনুসারে ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাকিদের দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের কাছে তারা সকলেই হত্যা এবং মালামাল লুটের কথা স্বীকার করেছে।’ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই জামিনুর রহমান জানান, দুপুরে মানিকগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, পুলিশ সদস্য মাসুদ রানার বাড়ি জেলার দৌলতপুর উপজেলার বাঘুটয়া এলাকায় এবং স্ত্রী বিলকিস আক্তারের বাড়ি ঘিওর উপজেলার বড়টিয়া গ্রামে।  

মন্তব্য ( ০)





  • company_logo